পূর্ব বর্ধমানের দিদির দূত গলসির বিধায়ক জনবিক্ষোভের জেরে গ্রামে ঢুকতেই পারলেন না! দিদির রক্ষাকবচ নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত
বাংলার জনরব ডেস্ক : দিদির দূত হিসাবে বাড়িতে বাড়িতে যাওয়ার কথা ৩০০ জন তৃণমূল দলের প্রথম সারির নেতার এর মধ্যে অবশ্যই বিধায়ক সাংসদ এবং সাংগঠনিক নেতারা থাকবেন। মাত্র চার দিন হল দিদির দূত প্রকল্পটি চালু হয়েছে এরই মধ্যে কম করে হাফ ডজন নেতা নেত্রী মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন এদের মধ্যে প্রথম সারির নেতারা যেমন আছেন বিজেপির সাংসদ অধুনা তৃণমূল নেতা অর্জুন সেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুনাল ঘোষ রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় তৃণমূলের যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য।
গতকাল শুক্রবার বীরভূমের দুবরাজপুরে গিয়ে গ্রামে ঢুকতে পারেননি তৃণমূলের যুব নেতা ও আইটি সেল এর ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য আজ একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো বর্ধমান।
শনিবার গলসির কুরকুবা গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে ‘দিদির দূত’ হিসাবে যান পূর্ব বর্ধমানের গলসির বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই। তাঁকে ঘিরে ধরে গ্রামবাসীদের দাবি, প্রকৃত গরিব হওয়া সত্ত্বেও এলাকার মানুষ আবাস যোজনার বাড়ি পাননি। এ ছাড়াও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে রান্নার মান খারাপ, বেহাল রাস্তাঘাট, জলকষ্ট নিয়েও অনেকে অভিযোগ করেন। এক গ্রামবাসীর কথায়, ‘‘ভোটের পর থেকে আর এলাকায় দেখা যায়নি বিধায়ককে। একাধিক বার গ্রামের সমস্যার কথা জানালেও সুরাহা হয়নি।’’ দীপক দাস নামে এক বাসিন্দার কটাক্ষ, ‘‘শুধু ব্যানার আর পোস্টারেই দেখা যায় বিধায়ককে!’’ এলাকাবাসীর দাবি, বিক্ষোভের মুখে পড়ে আর গ্রামে ঢোকেননি বিধায়ক।
নেপাল অবশ্য ঝামেলার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘কোনও ঝামেলা বা অশান্তি হয়নি। গ্রামে গেলে এলাকার বাসিন্দারা জড়ো হন। নিজেদের অভাব-অভিযোগ জানান।’’ তিনি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দাবিও মানতে চাননি। এ প্রসঙ্গে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, ‘‘ঘটনার খবর পেয়েছি। মানুষ তো নিজেদের সমস্যার কথা বলবেন। ওখানে কোনও বিক্ষোভ হয়নি। একশো দিনের কাজ বন্ধ। সেটাই তাঁরা বিধায়ককে বলেছেন।’’

