দেশ 

দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে মমতার, কংগ্রেস সহ আঞ্চলিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে বিজেপিকে হারানো সম্ভব, তবে কংগ্রেসের একার পক্ষে কঠিন পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানালেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ভারতরত্ন অমর্ত্য সেন

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্যতা রাখেন বলে আজ সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা দৃঢ় কন্ঠে ব্যক্ত করেছেন নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ও ভারতরত্ন অমর্ত্য সেন। তিনি এদিন ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একতরফা জিতবেন বলে মনে করছেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি মনে করেন দেশের আঞ্চলিক দলগুলি যদি একতাবদ্ধ হন তাহলে বিজেপি কে হারানো সম্ভব হবে। দেশের স্বার্থে বিজেপিকে হারানোর জরুরি বলে অমর্ত্য সেন মনে করেন। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য অমর্ত্য সেন বিজেপি বিরোধী বলে পরিচিত ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর তিনি স্বেচ্ছায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পথ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। নানা সময় তিনি মোদি এবং বিজেপিকে আক্রমণ করে থাকেন পাল্টাই হিসাবে বিজেপিও অমর্ত্য সেন কে নানাভাবে আক্রমণ করেন এবং কুৎসা মূলক প্রচারও করেন। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘‘আমার মনে হচ্ছে, একাধিক আঞ্চলিক দল আগামী দিনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে। আমার মনে হয়, ডিএমকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দল, তৃণমূলও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সমাজবাদী পার্টির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কিন্তু আমি জানি না, এই মুহূর্তে কী অবস্থায় রয়েছে।’’

তিনি কি মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন? এই প্রশ্নের জবাবে অমর্ত্য বলেন, ‘‘এমন নয় যে তাঁর এটা করার ক্ষমতা নেই। এটা খুব স্পষ্ট, তাঁর সেই ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু অন্য দিকে, এটা এখনও প্রতিষ্ঠিত নয় যে, মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে জনগণের হতাশার জায়গাগুলোকে এক ছাতার তলায় এনে ভারতে বিভেদের রাজনীতির অবসান ঘটাতে নেতৃত্ব দেবেন।’’

পাশাপাশি কংগ্রেস নিয়েও নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন নবতিপর অমর্ত্য। আগামী লোকসভা ভোট কংগ্রেস জিততে পারবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেস অনেকটাই দুর্বল হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে আমি জানি না, কেউ কংগ্রেসের উপর ঠিক কতটা নির্ভর করতে পারবেন। আবার অন্য দিকে, কংগ্রেসই একমাত্র দল যাদের অখিল ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি আছে। কিন্তু আবারও বলছি, সমস্যা কংগ্রেসের মধ্যেই।’’


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ