কয়লা দুর্নীতির ১০০০ কোটি টাকা রাজ্যের প্রভাবশালী ব্যক্তির ঘরে গিয়েছে দাবি শুভেন্দুর
বাংলার জনরব ডেস্ক : বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী এবার সরাসরি নিশানা করলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যদিও তিনি প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করেননি তবুও নাম না নিয়েই তিনি যা বলেছেন তাতে এটা স্পষ্ট হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এখনও পর্যন্ত শুভেন্দু নিশানাতেই আছেন। যদিও আজ সকালেই শিশু সুরক্ষা কমিশন শুভেন্দু অধিকারীকে শোকজ করেছেন। কয়েকদিন আগে শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলের জন্মদিন নিয়ে ভুল তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু তাতে কোনরকম ভাবে দমে না গিয়ে আরো বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ তিনি কয়লা পাচারকাণ্ড নিয়ে বলতে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন,কয়লা দুর্নীতির ১০০০ কোটি টাকা রাজ্যে পুলিস প্রশাসন নিয়ন্ত্রণকারী প্রভাবশালী ব্যক্তির ঘরে গিয়েছে।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘কয়লা পাচারের সঙ্গে বড় চক্র যুক্ত আছে। সেই চক্রের সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ আছে। কয়েকদিন আগে দিল্লির আদালতে গুরুপদ মাঝির নামে যে চার্জশিট পেশ হয়, সেখানে এই উল্লেখগুলি রয়েছে। সেই চার্জশিট এখন পাবলিক ডোমেইনেও এসে গিয়েছে। এটা আসলে মোট ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার দুর্নীতি। এই ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা দুর্নীতির মধ্যে ১০০০ কোটি টাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির কাছে গিয়েছে। যিনি এই রাজ্যে কার্যত প্রশাসন, পুলিস ও শাসকদলকে নিয়ন্ত্রণ করেন।’

তবে এর বেশি কিছু স্পষ্ট করেননি শুভেন্দু অধিকারী। কারণ তাঁর কথায়, ‘আগামী ১২ ডিসেম্বর গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্ত ব্যক্তির মামলা সুপ্রিম কোর্টে নির্দিষ্ট হয়েছে। তাই আজ পুরো বলছি না। এই মামলায় যাঁর কাছে ১০০০ কোটি টাকা গিয়েছে, যাঁর লিপস অ্যান্ড বাউন্স কোম্পানিতে ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭ সালে সুভাষ আগরওয়াল কোম্পানির মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা গিয়েছে, সেই অভিযুক্তের মামলা আগামী ১২ তারিখ সুপ্রিম কোর্টে আছে। তাই আমি চার্জশিটের পাতার নম্বরগুলি শুধু আপনাদের বলে দিচ্ছি।’
এদিকে, তাঁকে শিশু সুরক্ষা কমিশনের শোকজ নিয়ে শুভেন্দু বলেন, তিনি এখনও কোনও নোটিস পাননি। বলেন, ‘আমি কোনও নোটিস পাইনি। যা বলেছি কয়লা ভাইপোকে বলেছি। শিশু কমিশন আগে কে কয়লা ভাইপো বলুক।’

