দিল্লিতে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মান দোতলা বাড়ি, মৃত ২
বাংলার জনরব ডেস্ক : রবিবার রাতে দিল্লির মিলন গার্ডেনে ফের ভেঙ্গে পড়ল একটি নির্মীয়মান বাড়ি। সোমবার সকালে ওই ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় দু’জনের দেহ। মৃতদের নাম চন্দরপাল (৬০) এবং বিজয় কুমার (৩৩)। তাঁরা পিতা-পুত্র বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছে উদ্ধারকারী দল। মৃতেরা বিহারের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে খবর, নির্মীয়মাণ ওই বাড়িটির মালিক মনোজ কুমার। দোতলা বাড়িটির নীচের তলায় গুদাম ঘর তৈরি করা হয়েছিল। দোতলাটি নির্মীয়মাণ অবস্থায় ছিল। রবিবার রাতে দোতলার ছাদ-সহ ভেঙে পড়ে বাড়িটি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকল এবং স্থানীয় থানার পুলিশ। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু করে। রাতে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একটি দলও।
সোমবার সকালে পুলিশ জানায়, ভেঙে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও এক জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন বলে সন্দেহ করছেন উদ্ধারকারীরা। তাঁকেও উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। দিল্লির অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার সন্দীপ লাম্বা জানান, বাড়িটি আগে একতলা ছিল। সেটির উপর নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি জানান, এলাকাটি চারদিক থেকে ঘেরা ছিল। ফলে কোন বাড়িটি ভেঙে পড়েছে তা প্রাথমিক ভাবে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার রাতেই ঘটনাস্থলে যান দিল্লির দুই মন্ত্রী কপিল মিশ্র এবং আশিস সুদ। তদারকি করেন উদ্ধার অভিযানের। কপিল জানান, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। “কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি কী ছিল, তা অবশ্যই তদন্ত করা হবে,” বলেন মন্ত্রী।
গত সেপ্টেম্বরে দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় আচমকাই ভেঙে পড়ে একটি পাঁচতলা মেসবাড়ি। দুর্ঘটনায় অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর পরই দিল্লিতে বেআইনি ভাবে তৈরি হওয়া মেসবাড়ি এবং হস্টেলগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ শুরু করে প্রশাসন।

