অশোকনগরের তৃণমূল যুব সভাপতির দেহ উদ্ধার বাড়ি থেকে! রহস্য মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য!
উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের বাড়ি থেকে উদ্ধার তৃণমূল নেতা সঞ্জয় রাউতের ঝুলন্ত দেহ। সেই ঘরেই অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁর বাবা কমল রাউতকেও। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকেও মৃত ঘোষণা করা হয়। সঞ্জয় অশোকনগর এলাকার যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি ছিলেন। প্রাক্তন বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামীর সঙ্গেও ‘ঘনিষ্ঠতা’ ছিল বলে স্থানীয়দের একাংশের দাবি।
৪৯ বছরের সঞ্জয় এবং ৭০ বছরের কমল অশোকনগর-কল্যাণগড় পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে বাড়ির বারান্দা থেকে ঘরের ভিতর সঞ্জয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যেরা। বাড়ির ওই ঘর থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁর বাবা কমল রাউতকে। দ্রুত তাঁকে অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। কমল ঘুমের ওষুধ খেয়েছিলেন বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে।
সঞ্জয় একসময় অশোকনগর এলাকার যুব তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। এলাকায় তৃণমূলের নেতা হিসেবেও তাঁর পরিচিতি ছিল। প্রাক্তন বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামীর সঙ্গেও তাঁকে বিভিন্ন সময়ে দেখা যেত। চলতি বিধানসভা ভোটে তাঁর হয়ে কাজ করেছিলেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। আমদানি-রফতানির ব্যবসা করতেন সঞ্জয়। ব্যবসায় মন্দার কারণে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে স্থানীয়দের একাংশের দাবি। তবে তার সঙ্গে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
সঞ্জয় অবিবাহিত ছিলেন। বাবা তাঁর সঙ্গেই থাকতেন। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, সঞ্জয় তাঁর বাবাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে বাবা-ছেলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখছে অশোকনগর থানার পুলিশ।

