জেলা 

দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার কাঁথি সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল নেতা পীযূষ পন্ডা

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার পূর্ব মেদিনীপুরের প্রথম সারির এক তৃণমূল নেতা। ধৃতের নাম পীযূষ পণ্ডা। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ, স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই পদক্ষেপ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ‘হিটলার-রাজ’ চালানোর অভিযোগ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরি।

কাঁথি সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি পদে রয়েছেন পীযূষ। সম্প্রতি ‘ঘরছাড়া’ হওয়া তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি ফেরানোর দাবি তুলেছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের ফলঘোষণার পর পূর্ব মেদিনীপুরের বহু তৃণমূল কর্মীকে ঘরছাড়া করেছে বিজেপি। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকে আমরণ অনশনের ডাক দিয়েছিলেন। তার আগেই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

পীযূষের পরিবার সূত্রে খবর, সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পটাশপুর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার কাঁথি মহকুমা আদালতে হাজির করানো হয় তৃণমূল নেতাকে। আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ১০ দিনের জন্য পীযূষকে হেফাজতে নিতে চেয়েছে পুলিশ।

নিজের গ্রেফতারি নিয়ে শাসকদলকে আক্রমণ করেন পীযূষ। পুলিশের গাড়িতে ওঠার সময় তিনি বলেন, ‘‘অন্যায়ের কাছে মাথানত করব না। বিজেপি এবং পুলিশ মিলে আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকব। আমার আমরণ অনশনও চলবে।’’ দলের নেতার গ্রেফতারিতে সরব রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক অখিল। তিনি বলেন, ‘‘শুধু পীযুষ পণ্ডাকেই নয়, আমাদের দলের যে যেখানে নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তাঁকেই হয় গ্রেফতার করা হচ্ছে, নয়তো ভয় দেখানো হচ্ছে।’’ প্রাক্তন মন্ত্রীর অভিযোগ, রাত ২টোর সময় বাড়ি থেকে পীষূষকে ‘তুলে নিয়ে গিয়েছে’ পুলিশ। কাঁথির অধিকারী পরিবারের ‘বিরোধী’ বলে পরিচিত অখিলের মন্তব্য, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে একটি অগণতান্ত্রিক সরকার চলছে। পুলিশ-প্রশাসন এবং বিজেপি মিলে এই ধরনের কাজ করছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে বিরোধীদের ফাঁসানো চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলে থাকেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভয় দূর হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ জায়গায় দেখবেন ভয়ের পরিবেশ। পুলিশকে কাজে লাগিয়ে ‘হিটলার-রাজ’ চালানোর চেষ্টা করছে এই সরকার।’’


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ