দেশ 

ককরোজ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেল ব্লক করা নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ মহুয়া ও শশীর

শেয়ার করুন

ককরোচ জনতা পার্টি সোশ্যাল মিডিয়ায় পথ চলার শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে বিপত্তি ঘটিয়েছে। এত মানুষ এই ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে জেদেরকে জুড়ে দিয়েছেন তাতে অশনি সংকেত দেখতে পাচ্ছে কেন্দ্র সরকার। তাই এই পার্টির টুইটার হ্যান্ডেল ব্লক করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের খবর থেকে জানা যাচ্ছে কেন্দ্র সরকারের নির্দেশে নাকি এই কাজ করা হয়েছে। গোয়েন্দারা বলছেন এই পার্টিটা জাতীয় সুরক্ষার পক্ষে বিপদজনক সেজন্যেই এই সংগঠনের টুইটার হ্যান্ডেল ব্লক করা হয়েছে।

আর কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুলেছেন দেশের দুই জনপ্রিয় সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও শশী থারুর।তাঁদের সাফ কথা, এই ‘পার্টি’ আসলে দেশের যুবসমাজের মতপ্রকাশের মঞ্চ। তাই ‘ককরোচ’দের বাকস্বাধীনতায় লাগাম পরানো উচিত নয়।

দেশের প্রধান বিচারপতির ‘কটাক্ষমূলক’ মন্তব্যের প্রতিবাদে আত্মপ্রকাশ করা প্রতীকী রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারের নিরিখে বিজেপি-কংগ্রেসকে টপকে যায়। তারপর থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক কটাক্ষ করেন, ‘বিজেপি নিজেকে বিশ্বের বৃহত্তম পার্টি হিসাবে দাবি করে। কিন্তু ওদের টপকে যেতে আমাদের মাত্র চারদিন লাগল।’ এই পোস্ট করার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, এক্স থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির অফিসিয়াল হ্যান্ডেল।

এহেন কাণ্ডের পরই মুখ খুলেছেন লোকসভার দুই বিরোধী সাংসদ শশী থারুর এবং মহুয়া মৈত্র। এক্স হ্যান্ডেলে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ লেখেন, ‘আমাদের দেশের সরকার যুবসমাজকে এতটাই ভয় পায় যে একটা অনলাইন আন্দোলনকেও সহ্য করতে পারছে না। ভেবে দেখুন বিরোধী দলগুলোর কাজটা কত কঠিন।’ উল্লেখ্য, মহুয়া নিজেও ককরোচ জনতা পার্টিকে ফলো করেন। খানিকটা একই কথা বলেছেন শশীও। তাঁর মতে, ‘যুবসমাজ যে কতখানি হতাশ হয়ে পড়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা দেখেই বুঝতে পারছি। তাদের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়াটা বিপর্যয় বলা যেতে পারে। সিজেপির অ্যাকাউন্ট চলতে দেওয়া উচিত।’

সূত্রের খবর, কেন্দ্রের নির্দেশেই বন্ধ করা হয়েছে সিজেপির এক্স অ্যাকাউন্ট। কারণ আইবির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে এই অ্যাকাউন্টটি জাতীয় সুরক্ষার জন্য বিপজ্জনক। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের কথায়, এই অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও অন্যায় মন্তব্য করা হয়নি, উসকানিমূলক পোস্টও করা হয়নি। কিছু সামাজিক ইস্যুতে পোস্ট করা হয়েছে স্রেফ।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ