এম পি বিড়লা তারামণ্ডল-এ সেমিনার : গালিব ইসলাম
গালিব ইসলাম : ‘খোলামন’ (একটি সাংস্কৃতিক সংস্থা) ও ‘এম পি বিড়লা তারামণ্ডল’-এর যৌথ উদ্যোগে ১লা বৈশাখ ১৪৩৩ বুধবার, বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে তারামণ্ডলের সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল “জ্যোতির্বিজ্ঞান, সাহিত্য ও চলচ্চিত্র” শীর্ষক ভিন্ন মাত্রার এক আলোচনা সভা।
এই অনুষ্ঠানের মনোজ্ঞ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্দেশক ও নাট্য বিশারদ অশোক বিশ্বনাথন, চলচ্চিত্র পরিচালক ও কবি শ্রীমতি শতরূপা সান্যাল, অভিনেত্রী ও নাট্য ব্যক্তিত্ব অধ্যাপিকা ডঃ শম্পা সেন, বৈজ্ঞানিক আধিকারিক, এম পি বিড়লা তারামণ্ডলের ডঃ শর্মিষ্ঠা বসু, চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞ, প্রাক্তন অধিকর্তা/গোতে ইনস্টিটিউট, ম্যাক্স মুলার ভবনের মাননীয় এস, ভি, রমন ও প্রাক্তন সহ আধিকারিক/কলকাতা দূরদর্শনের শ্রীমতি নন্দিনী ভট্টাচার্য। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের বিশিষ্ট দিকপালেরা।

এই আলোচনায় উঠে আসে পৃথিবী, অসীম আকাশ, বায়ুমণ্ডল, মহাকাশ, সৌরমণ্ডল, গ্রহ, নক্ষত্র, সূর্য, তারাদের দেশ ও কাল্পনিক জগতের বিস্ময়কর অবস্থান এবং পরিবেশ। অনন্ত মহাকাশ ও গ্যালাক্সি সম্পর্কে কৌতূহলে বিজ্ঞানী, গাণিতিক ও জোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্ট, আর্কিমিডিস,গ্যালিলিও, কোপারনিকাস ও সক্রেটিসদের সত্যান্বেষনে মহাবিস্কারের গল্প উঠে আসে এই আসরে। সেই জগতে সাহিত্যের গতি প্রকৃতি এবং চলচ্চিত্রে তার প্রভাব। অদ্ভুত এক দর্শন ও কল্পনা শক্তির মেলবন্ধন ঘটিয়ে আলোকিত করল এই সেমিনার। সচারাচর কলকাতা ও বাংলার বুকে এরকম একটি মনোগ্রাহী বিষয় নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক ও ভবিষ্যতের উজ্জল সম্ভবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বিরল এক আলোচনা সাধারণত হয়নি বললেই চলে। সেদিক থেকে এরকম একটি সেমিনারের উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে।

