কলকাতা 

D A মামলার শুনানিতে বকেয়া প্রদান নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট !

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে যে নির্দেশ দেশের শীর্ষ আদালত দিয়েছিল সেই সময়সীমার মধ্যে মেটানো যাবে না অতিরিক্ত সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছিল রাজ্য সরকার। সেই আবেদনের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার হলফনামা জমা দিয়েছে। সেই হলফনামা নিয়ে মামলাকারীদের কোন বক্তব্য থাকলে তা অবিলম্বে জানাতে হবে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের করা ডিএ নিয়ে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৬ মে। অর্থাৎ ৪ মে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে।

বুধবার রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করে জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ডিএ-র একটি অংশ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। কমিটির দ্বারা নির্ধারিত প্রথম কিস্তির অর্থ দেওয়ার জন্য সময় প্রয়োজন। তার কারণ, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে রাজ্যের পক্ষ থেকে একটি রিপোর্ট-সহ হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালতে।

Advertisement

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আইনজীবী সওয়াল করে বলেন, ‘‘আমরা রাজ্যের রিপোর্টের বিরোধিতা করছি। আদালত এ বিষয় হস্তক্ষেপ করুক।’’ কর্মচারীদের তরফে জানানো হয়, যা মহার্ঘভাতা দেওয়া হয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। সকলে ডিএ পাননি। কর্মচারীদের অনেকে পেয়েছেন, আবার অনেকে পাননি।

বিচারপতি সঞ্জয় করোল বলেন, ‘‘ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া তো শুরু হয়েছে!’’এর পরেই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, রাজ্যের জমা দেওয়া রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে। রাজ্যের রিপোর্ট প্রসঙ্গে আপত্তি থাকলে মামলার সঙ্গে সংযুক্ত পক্ষেরা হলফনামা দিয়ে তাদের বক্তব্য জানাবে। আগামী ২৭ এপ্রিল কমিটির সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। সেখানে রাজ্য তাদের বিষয়টি জানাবে। ৬ মে মামলার পরবর্তী শুনানি।

আবেদনে রাজ্য আরও জানিয়েছে, সব কর্মীর সার্ভিস বুক স্ক্যান ও আপলোড করতেও সময় লাগবে। হাজার হাজার পেনশনভোগী আছেন। তাঁদের তথ্যও আলাদা ভাবে মেলাতে হবে। পাশাপাশি কলকাতা এবং জেলার পেনশন সংক্রান্ত তথ্য আলাদা জায়গায় রয়েছে, সেগুলিকেও মেলাতে হবে। ডিএ-র হিসাব করার জন্য আলাদা পোর্টাল করা হচ্ছে। যে সংস্থা তা তৈরি করছে, তারা জানিয়েছে পোর্টাল পুরো প্রস্তুত করতে সময় লাগবে। রাজ্যের বক্তব্য এই কাজ শুরু হয়েছে। শেষ করতে সময় লাগবে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ