দেশ 

এসআইআর চালু হওয়ার পর বাংলায় আত্মঘাতী ১৮, মৃত্যু ৩৩, দেশে বি এল ও মৃত্যু ২৬, দায়ী নির্বাচন কমিশন

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : এসআইআর ঘোষণার ৩১ দিনের মধ্যে রাজ্যে ৩৩টি মৃত্যু! নেপথ্যে দায়ী করা হচ্ছে এসআইআরের ‘আতঙ্ক এবং কাজের চাপ’কে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পর নাম থাকবে কি না, সে নিয়ে আতঙ্কে অনেকে চরম পদক্ষেপ করেছেন বলে দাবি। তেমনই কর্তব্যরত দুই বুথ স্তরের আধিকারিকের আত্মহত্যার কারণ হিসাবে এসআইআরের কাজের চাপকে দায়ী করা হয়েছে। এ নিয়ে নির্বাচনের কমিশনের প্রতিক্রিয়া চেয়েও মেলেনি বলে অভিযোগ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের।

বাংলায় এসআইআর চালু হয়েছে গত ২৮ অক্টোবর। প্রথম দিনেই আত্মহত্যা করেন প্রদীপ কর নামে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের বাসিন্দা। ২৮ নভেম্বর, শুক্রবার পর্যন্ত গণনাপএত্রের (এনুমারেশন ফর্ম) পূরণ এবং জমা নেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে আত্মহত্যা করেছেন ১৮ জন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন দুই বিএলও। বাকি ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং ব্রেন স্ট্রোকে। মৃতদের পরিবারগুলির দাবি, আশঙ্কা এবং আতঙ্কে ওই পরিণতি। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে মুর্শিদাবাদে— ন’জনের। তার পরে রয়েছে দুই মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনা। এসআইআর আতঙ্ক এবং কাজের চাপে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে হুগলি, দুই দিনাজপুর, হাওড়া, হুগলি এবং জলপাইগুড়ি জেলাতেও।

Advertisement

‘ডিজিটাইজ়েশন’ হয়ে গিয়েছে। সময় রয়েছে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এখন কমিশন মনে করছে, পশ্চিমবঙ্গে সময়ের আগেই যাবতীয় গণনাপত্রের (এনুমারেশন ফর্ম) ‘ডিজিটাইজ়েশন’-এর কাজ শেষ হয়ে যাবে।

অন্য দিকে, শুধু তৃণমূলই নয়, এসআইআরে ১২টি রাজ্যে মোট ২৬ জন বিএলওর মৃত্যুর অভিযোগ তুলে কংগ্রেসের দাবি, এতগুলি মৃত্যুর জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশন দায়ী। যদিও বিএলও-দের কাজের চাপ নিয়ে কমিশনের এক শীর্ষকর্তার যুক্তি, বিহারেও এক মাসের মধ্যে এসআইআরের কাজ সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু সেখানে কোনও আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, সত্যিই কত জন বিএলও এসআইআর-এর কাজের চাপে আত্মহত্যা করেছেন, তা রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের রিপোর্ট দেখে বোঝা যাবে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ