পঞ্চায়েত ভোট হিংসায় যুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দিলো নবান্ন
বাংলার জনরব ডেস্ক : পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে ৪৭ জনসহ নাগরিকের খুন হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য সরকারের টনক রয়েছে। অনেকে অবশ্য বলছে কলকাতা হাইকোর্টের চাপেই এখন খানিকটা নড়েচড়ে বসেছে মমতা সরকার। রাজ্যের সব জেলাশাসককে নবান্ন থেকে একটি নির্দেশিকা পাঠিয়ে বলা হয়েছে ভোট হিংসার সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে একই সঙ্গে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নবান্নর কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।
জেলাশাসকদের কাছে পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভোটপর্বে হিংসায় ক্ষয়ক্ষতি কী হয়েছে, তা বিশদে জানাতে হবে। কড়়া ব্যবস্থা নিতে হবে ভোট-হিংসায় নাম জড়ানো অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। নথিবদ্ধ করতে বলা হয়েছে সমস্ত এফআইআর। অশান্তির ঘটনায় যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদের তালিকা তৈরি করে স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে সমন্বয় করে যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ভোট-হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের। কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার বন্দোবস্ত করতে হবে। তবে তা করতে গিয়ে যাতে কোনও স্কুল বা কলেজ বন্ধ না হয়, সেটা সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে রাজ্যে যে সব অশান্তির ছবি এবং ভিডিয়ো সংবাদমাধ্যম এবং সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে, তা নিয়ে জেলাশাসকদের কাছ থেকে ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে।

আসলে রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাব এ রাজ্যে হিংসা থামানোর ক্ষেত্রে। কোন রাজ্য সরকার যদি চায় যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের অশান্তিকে থামানো যেতে পারে। ভোট হিংসায় যুক্ত থাকার অপরাধে জেলা শাসকদের ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্য দিয়ে আসলে বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীদের যে তার নিশানা করা হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এরপর যেসব জায়গায় বিরোধীরা জয়লাভ করেছে সেই সকল পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধেও নানা ধরনের কেস দেওয়া হবে আবার এরাই যখন তৃণমূল কংগ্রেসের চলে যাবে তখন সব কেস থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।

