কবিগুরুর নোবেল প্রাপ্তির দিন স্মরণে হলদিয়ায় আনকো আলো পত্রিকার সাহিত্য সভা
নায়ীমুল হক : ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর ইতিহাসের পাতায় বাঙালির জন্য এক অত্যন্ত গৌরবের দিন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির এই দিনকে আরো স্মরণীয় করে তুলতে দিকে দিকে আয়োজিত হয় সভা, সেমিনার, আলোচনা।
রবিবার ১৩ নভেম্বর হলদিয়া থেকে নিয়মিত প্রকাশিত পাক্ষিক আনকো আলো পত্রিকা নোবেল প্রাপ্তির সেই গৌরবময় দিন স্মরণে আয়োজন করেছিল এক সাহিত্য সভা। সঙ্গে ছিল আকর্ষণীয় এক সেমিনার ও বার্ষিক পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আনকো আলো পত্রিকার সম্পাদক অসীম কুমার মাইতি। হলদিয়া পুরসভার প্রেস কর্নার প্রেক্ষাগৃহে ছিল এই সভার আয়োজন।

এদিনে সেমিনারের বিষয় ছিলো ভারতের স্বাধীনতার পচাত্তর বছর। সাহিত্য সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের নানা প্রান্ত থেকে আসা কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, বাচিক শিল্পী,শিক্ষক,অধ্যাপক।অনুষ্ঠানে উপস্থিত কবিরা স্বরচিত কবিতা পাঠে অংশ গ্রহণ করেন ও সাহিত্যিকরা স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন। সম্পাদক অসীম কুমার মাইতি মহাশয় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন কবিদের কবিতাপাঠ ও সাহিত্য আলোচনা ইদানিং কমে যাচ্ছে যা সমাজের প্রগতির জন্য আদৌ ভালো লক্ষণ নয়।

অনুষ্ঠানে আজ সমাজের বিভিন্ন স্তরের গুণী মানুষ ডাক্তার,অধ্যাপক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, বাচিক শিল্পী দের দশ জনকে উত্তরীয়,মেমেন্টো, পুষ্প স্তবক দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন কলকাতা থেকে আগত বি এড বিশ্ববিদ্যালয়-এর বিভাগীয় প্রধান ড: বিশ্বজিৎ বালা, চিকিৎসক ডা: ত্রিপর্না চট্টোপাধ্যায়, শিক্ষিকা ও অভিনেত্রী শর্বরী রায়, কোলাঘাট থেকে আগত কবি, সমাজসেবী শিক্ষিকা সুজাতা বেরা সহ আরো অনেকে।
এই অনুষ্ঠানে আজ আনকো আলো পত্রিকা বার্ষিক সংখ্যার মোড়ক উন্মোচিত হয়।
পরিশেষে জাতীয় সংগীত গেয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।কানায় কানায় পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই করতালি দিয়ে সম্পাদক অসীম কুমার মাইতির এই সুন্দর উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

