আনিস হত্যা রহস্য ১৫ দিনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে বলে জানালেন রাজ্য পুলিশের ডিজিপি,এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত কারা জানতে চায় সাধারণ মানুষ
বাংলার জনরব ডেস্ক: দুই পুলিস কর্মীকে গ্রেপ্তার করার পর আনিস হত্যা রহস্য ১৫ দিনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে বলে জানালেন রাজ্য পুলিশের ডিজিপি। এই পরিস্থিতিতে সকলকে রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা রাখার আরজি জানালেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। সাফ জানালেন, ১৫ দিনের মধ্যেই আনিস হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে। নিরপেক্ষ তদন্তের পর অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া হবে।
বুধবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। সেখানে তিনি বলেন, “পুলিশ সিট গঠন করেছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ১০০ শতাংশ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হচ্ছে। যা তথ্য পাওয়া গেছে, তার ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন হোমগার্ড কাশীনাথ বেড়া। অপরজন সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্য।” এরপরই মৃত ছাত্রনেতার পরিবারের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ করেন তিনি। ডিজি বলেন, “তদন্তের স্বার্থে মোবাইল ফোন চাইলে দেওয়া হচ্ছে না। তদন্তে বারবার বাধা দেওয়া হচ্ছে। গতকাল সারাদিন মিরজ খালিদ ঘটনাস্থলে ছিলেন। কোনও রকম সহযোগিতা করা হয়নি। বুধবার ফের ময়নাতদন্তের জন্য সিট যায় আনিসের বাড়িতে। সেক্ষেত্রেও বাধা দেওয়া হয়।”
এরপরই রাজ্য পুলিশের ডিজি প্রত্যেককে সহযোগিতার আরজি জানান। বলেন, “নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দয়া করে সবাই পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতায় করুন। ১৫ দিনের মধ্যে সত্য প্রকাশ্যে আসবেই। অভিযুক্তদের শাস্তি পেতেই হবে।” উল্লেখ্য, এদিন নবান্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রাজ্যপুলিশের উপর ভরসা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেছেন, “বারবার সিবিআই তদন্তের কথা বলে রাজ্য পুলিশের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। যে কোনও বিপদে রাজ্য পুলিশই বাংলার মানুষের পাশে থাকে। এক্ষেত্রে সঠিক তদন্তই হবে। প্রকাশ্যে আসবে আসল তথ্য।” অভিযুক্তরা শাস্তি পাবেই, এদিন সেই আশ্বাসও দিয়েছেন মমতা।
পুলিশ কর্মীকে কেনো গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার কোনো নিদির্ষ্ট কারণ ডিজি আজ বলেননি। কিন্তু যদি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পুলিশ জড়িয়ে থাকে তাহলে শুধু পুলিশ কর্মীকে গ্রেপ্তার কেন ? অফিসার দের নির্দেশ ছাড়া তো ওই পুলিশ কর্মীরা ওতো রাতে যেতে পারে না। কে আনিসের বাড়িতে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল তা জানতে চায় সাধারণ মানুষ ।

