কাস্তে ছেড়ে জোড়া ফুলে প্রতীক, শেষ মুহূর্তে বহিষ্কার করলো সিপিএম
সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রতীক-উর রহমান। শনিবার আমতলায় সাংসদের কার্যালয়ে সামনে তৃণমূলে যোগ দিলেন সিপিএমের প্রাক্তন ‘বিদ্রোহী’ নেতা। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেকের বিরুদ্ধেই ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় সিপিএমের প্রতীকে লড়েছিলেন প্রতীক-উর। অভিষেকের সঙ্গে তাঁকে দেখা যাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই প্রতীক-উরকে বহিষ্কার করল সিপিএম।
শনিবার আমতলার কার্যালয়ে দলীয় অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেন অভিষেক। তার পরে বিকেল ৪টে নাগাদ সেখানে পৌঁছোন প্রতীক-উর। তিনি সেখানে পৌঁছোতেই এসএফআই দফতরে তাঁর নামে বরাদ্দ লকার থেকে নাম সরিয়ে দেওয়া হয়। এসএফআইয়ের দফতরে তিন নম্বর লকার ছিল প্রতীক-উরের। সেখান থেকেই মুছে দেওয়া হয় তাঁর নাম।

সম্প্রতি প্রতীক-উর সিপিএমের রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এমনকি, দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আব্যাহতি নেওয়ার কথা উল্লেখ করে চিঠি লিখেছিলেন। সিপিএমের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতীক-উরকে দল বহিষ্কার করতে পারত। কিন্তু সেই পথে হাঁটেনি রাজ্য কমিটি। প্রতীক-উরের চিঠির পরে দলের একাংশ তাঁকে রাখবার জন্য সক্রিয় হয়েছিলেন। যোগাযোগ করেছিলেন প্রবীণ নেতা বিমান বসুও। দলের কর্মী-সমর্থকদেরও প্রতীক-উরের পক্ষে প্রকাশ্যে সওয়াল করতে দেখা গিয়েছিল। আলিমুদ্দিন চেয়েছে বহিষ্কার না-করে ধরে রাখার চেষ্টা জারি রাখার বার্তা দিতে। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টা কার্যকর হল না।

