আন্তর্জাতিক 

ক্লাস ফাইভের অঙ্ক-ইংরেজিতেও ডাহা ফেল ব্রিটিশ এমপি’রা! নেপথ্যে রহস্য কী? জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : ব্রিটিশ পার্লামেন্ট শিশুদের পরীক্ষার সময় মানসিক অবস্থা কেমন থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা গুলোর ক্ষেত্রে শিশুদের অবস্থা কেমন হয় তা দেখার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যদের পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণীর সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়েছিল সরকার। পাঠক বর্গ শুনলে অবাক হবেন এই পরীক্ষাতে বেশিরভাগ সাংসদই পাস করতে পারেননি। ৪৪% সাংসদ অংকে ফেল করেছে ৫০ শতাংশ সাংসদ ইংরেজি বিষয়ে কৃতকার্য হতে পারেন নি।

শিশু শিক্ষার্থীরা যখন পরীক্ষায় বসে তখন তাদের মনের কীরকম অবস্থা হয়, সেটা যাতে বড়রা, দেশের প্রশাসকেরা, দেশের জনপ্রতিনিধিরাও উপলব্ধি করতে পারেন, তাই এই আয়োজন। সঙ্গে ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা বাতিল করার লক্ষ্যও। এই দুই উদ্দেশ্যেই ওয়েস্টমিনস্টারে এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। ব্রিটেনের সাংসদরা পরীক্ষায় বসেন। সেই পরীক্ষার ফলও বেরয়। যা দেখে হতাশ সকলেই। অঙ্কে ফেল অর্ধেকের বেশি সংখ্যক সাংসদ! ইংরেজির অবস্থা তথৈবচ। ব্যাকরণ, বানান ও যতিচিহ্নের ব্যবহারেও বিপুল ভ্রান্তি ঘটিয়েছেন অধিকাংশ ব্রিটিশ এমপি পরীক্ষার্থী।

পরীক্ষা ছিল পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির অঙ্ক ও ইংরেজির। এত সহজ মানের এক পরীক্ষায় রীতিমতো করুণ অবস্থা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যদের। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৪ শতাংশ সাংসদই অঙ্কে পাস করেননি। যাঁরা করেছেন, তাঁরা কোনোমতে পাস নম্বর পেয়েছেন। তুলনায় ইংরেজির অবস্থা ভালো। ইংরেজিতে পাস করেছেন ৫০ শতাংশ। যা আবার এমনিতে সাংঘাতিক খারাপ ফলের বর্গেই পড়বে।

এ বছর ষষ্ঠ শেণির পরীক্ষায় ইংরেজি ও অঙ্কে পাস করেছে ব্রিটেনের ৭২ ও ৭১ শতাংশ পড়ুয়া। দেখা গেল, তাদের পারফরম্যান্সের ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেননি সাংসদেরা। এমপি এমা হার্ডি পরীক্ষার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা ওই ছোটদের পরিস্থিতি যাতে বুঝতে পারি সেজন্য এ ধরনের পরীক্ষা নেওয়া খুব দরকার। আমরা যাতে জানতে পারি, কতটা চাপ থাকে খুদেদের উপর।’


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ