দেশ 

নোট বন্দি : ‘‘সাংবিধানিক বেঞ্চ এ ব্যাপারে যে প্রশ্ন তুলেছে দেশের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই আদালতকে তার জবাব দিতে হবে’’ : নোট বন্দি মামলায় কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাংককে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : ছ বছর আগে ঘটে যাওয়া নোট বন্দিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে মামলা চলছে। সেই মামলার শুনানিতে বিপক্ষের আইনজীবী বলেছেন, নোট বন্দির পর ৬ বছর কেটে গেলেও দেশবাসী ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করতে পারে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে। তাই এর উত্তর কেন্দ্রকে দিতে হবে মামলা কারীদের আইনজীবীদের এই বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ কেন্দ্র এবং রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে হলফনামা দিয়ে তাদের বক্তব্য জানাতে বলেছে। আদালত সেই যুক্তি মেনে নিল। বুধবার দেশের শীর্ষ আদালত জানাল তারা কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের ওই সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। কারণ, দেশবাসীর ভবিষ্যতের স্বার্থেই এ বিষয়ে প্রকৃত জবাব পাওয়া জরুরি।

বুধবার নোটবন্দিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে করা ৫৮টি মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। মামলাগুলির শুনানি চলাকালীন কেন্দ্র আদালতকে বলে ঘটনাটির পর ৬ বছর কেটে গিয়েছে। বিষয়টি এখন কেতাবি হয়ে হয়ে গিয়েছে। পাল্টা যুক্তি দেন বিপক্ষের আইনজীবীরাও। দু’পক্ষের যুক্তি শোনার পর শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, নোটবন্দি সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়া তাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। আদালত আরও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে, ‘‘সাংবিধানিক বেঞ্চ এ ব্যাপারে যে প্রশ্ন তুলেছে দেশের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই আদালতকে তার জবাব দিতে হবে।’’ তাই বুধবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, নোটবন্দি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়াটি তারা খতিয়ে দেখবে। এমনকি, এ ব্যাপারে কেন্দ্র এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রতিক্রিয়াও চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দু’পক্ষকেই হলফনামার আকারে জমা দিতে বলা হয়েছে তাদের বক্তব্য।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এস আব্দুল নাজির, বিচারপতি বিপি গভাই, বিচারপতি এএস বোপান্না, বিচারপতি ভি রামাসুব্রহ্মণ্যম এবং বিচারপতি বিভি নাগারত্নের সাংবিধানিক বেঞ্চে মামলাগুলি ওঠে। বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, তারা ওই ৫৮টি মামলা গ্রহণ করছে আগামী ৯ নভেম্বর এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি হবে।

২০১৬ সালে নরেন্দ্র মোদী সরকার নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। একটি মাত্র ঘোষণায় দেশের সমস্ত ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তার পর দিনের পর দিন দুশ্চিন্তায় কেটেছে দেশবাসীর। এটিএম, ব্যাঙ্কে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন মানুষ।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ