প্রচ্ছদ 

নির্বাচন চলাকালীন সময়েই শীর্ষ আদালতে রীতিমতো ধমক খেলেন যোগী সরকার, কেন ধমক খেলেন? জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : ভোট চলাকালীন সময়েই দেশের শীর্ষ আদালতে রীতিমতো ধমক খেলেন যোগী সরকার। সিএএ আইনের বিরোধিতায় উত্তরপ্রদেশে যে প্রতিবাদ আন্দোলন হয়েছিল তারপর বিক্ষোভকারীদের থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায় করার সিদ্ধান্ত নেয় যোগী সরকার, তা বন্ধ করতে শুক্রবার কড়া বার্তা দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচুড় (DY Chandrachud) এবং বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারকে বলে, দ্রুত এসব বন্ধ করুন। নাহলে আমরা করব।

আদালতের এমন পর্যবেক্ষণে দেশের সর্বাধিক জনবসতিপূর্ণ রাজ্যের নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বড় ধাক্কা খেল উত্তরপ্রদেশ সরকার। ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর নাগরিক সংশোধনী আইন আনে মোদি (Narendra Modi) সরকার। যার প্রতিবাদে দেশজুড়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। বাদ যায়নি উত্তরপ্রদেশও। সরকারি সম্পত্তি-সহ অন্যান্য অনেক কিছুই ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। বিক্ষোভে জড়িত থাকা ব্যক্তিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে এই ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া শুরু করে যোগী (Yogi Adityanath) সরকার। যার চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দায়ের হয় মামলা। তারই শুনানিতে এদিন পর্যবেক্ষণে বেঞ্চ জানায়, সরকার নিজেই অভিযোগকারী, বিচারক ও শাস্তিদাতার ভূমিকা নিচ্ছে। সরকারের উচিত আইনি পথ অবলম্বন করা। দ্রুত এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। নাহলে আদালত হস্তক্ষেপ করে সব মামলা খারিজ করবে। এর জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকারকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

পি এ টিটু নামক এক ব্যক্তি যোগী সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। এদিন তাঁর আইনজীবী আদালতে জানান, শুধুমাত্র মুসলমান সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের কোনও ভিত্তি ছাড়াই সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। ছ’ বছর আগে মৃত এক ৯৪ বছর বয়সী ব্যক্তির নামে পাঠানো নোটিশ আদালতে পেশ করা হয়। ৯০-এর বেশি বয়সি ব্যক্তিদের কথাও উল্লেখ করা হয়, যাঁদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের পর ভোটের মুখে বেশ খানিকটা চাপে পড়ে গেল উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার। এমনিতেই এই ভোটে উত্তরপ্রদেশে এখন চলছে বিজেপি বিরোধী হওয়া এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সেই হাওয়া আরও জোরদার হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ