দেশ 

Rahul Gandhi: ‘FIR দায়ের না করা পর্যন্ত এখান থেকে যাব না,’ দিল্লির ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের দফতরের সামনে ধর্নায় রাহুল গান্ধি, সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা

শেয়ার করুন

যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের সময় পেলেট গানে আহত হওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন সাহিল লোচাভ নামের এক যুবক৷ কিন্তু, তাঁর এফআইআর গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে দাবি৷ এবার তাঁর পাশে দেখা গেল লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে৷ ঘটনায় FIR দায়েরের দাবিতে শুক্রবার দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় পৌঁছলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। DCP-র সঙ্গে দেখা করার পরও তিনি থানায় অবস্থান করেন এবং লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে সরবেন না বলে জানান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাহিল লোচাভ। পরে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বঢরাও থানায় পৌঁছন।

রাহুল গান্ধির অভিযোগ, গত ২০ জুলাই কোনট প্লেস এলাকায় পড়ুয়াদের আন্দোলনের সময় পেলেট গান ব্যবহার করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, AIIMS-এর রিপোর্টে সাহিলের শরীরে ২০০-র বেশি পেলেটের উপস্থিতির কথা উল্লেখ রয়েছে। এমনকি, তাঁর চোখেও তিনটি পেলেট রয়েছে এবং এর জেরে একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন সাহিল। হৃদযন্ত্রের কাছেও পেলেট রয়েছে বলে দাবি করেন রাহুল।

রাহুল গান্ধি বলেন, ‘‘দিল্লি পুলিশ বলছে তারা পেলেট গান চালায়নি। সুতরাং, প্রশ্ন একটাই: নিশ্চয়ই কেউ এটা করেছে… একটি অপরাধ অবশ্যই ঘটেছে…’’

রাহুলের অভিযোগ, পুলিশ জানিয়েছে উপরমহল থেকে নির্দেশ আসায় তাঁরা FIR দায়ের করতে পারছে না। তিনি বলেন, “আমরা একটি এফআইআর দায়ের করার দাবি জানাচ্ছি। তারা আমাদের বলেছে যে তারা শীর্ষ মহল থেকে নির্দেশ পেয়েছে এবং তারা এফআইআর দায়ের করতে পারবে না। এফআইআর দায়ের না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখান থেকে নড়ব না… আমরা শুধু এই পরিবারটির জন্য ন্যায়বিচার চাই… এই দেশে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দিল্লি পুলিশের কর্মীরা ন্যায়বিচার হতে দেবে না…” সাহিলের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচারই তাঁদের একমাত্র দাবি বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস নেতা।

এদিকে রাহুল গান্ধির অবস্থানকে কেন্দ্র করে Parliament Street থানার বাইরে কংগ্রেস কর্মীদের ভিড় জমে। তাঁদের হাতে ছিল চরকা। গান্ধীবাদী প্রতীক নিয়ে তাঁরা গান গেয়ে প্রতিবাদ চালিয়ে যান।

এবিষয়ে বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডার প্রতিক্রিয়া, গোটা দেশ জানে যে সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যে গত ২০ জুলাইয়ের ঘটনায় আমলে দিয়েছে এবং একজন প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করেছে। তিনি বলেন, ‘‘যখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত বিষয়টি তদন্ত করছে, তখন থানার বাইরে ক্যামেরার সামনে বসে রাহুল গান্ধি কী প্রমাণ করতে চান? বিরোধীদলীয় নেতার কি দেশের বিচার বিভাগের ওপর আস্থা নেই? সত্যিটা হল, রাহুল গান্ধি শুধুমাত্র শিরোনামে থাকার জন্যই এই ‘ক্যামেরাকেন্দ্রিক’ নাটক মঞ্চস্থ করছেন৷”

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ