কলকাতা মুখ্যমন্ত্রীর দরবার 

CESC – র গাফিলতির জন্যই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর উচিত কড়া ব্যবস্থা নেওয়া

বুলবুল চৌধুরী : CESC’র গাফিলতির কারণেই বিদ্যুৎপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে শহর কলকাতায়। গত মে মাসে রাজভবনের  সামনে এক যুবক মারা গিয়েছিলেন বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে। এক মাস কাটতে না কাটতেই দুজন মারা গেলেন কলকাতার নাগরিক বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে। CESC’ এর দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। CESC’র শুধুমাত্র সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে বিদ্যুতের বিলের টাকা নিতেই ব্যাস্ত থাকে বিদ্যুৎ চুরি আটকাতে তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি । উপরন্তু গ্রাহকরা বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে সিএসসির কাছে অভিযোগ জানালে সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় এটা দেখার দায়িত্ব তাদের নয়। এই প্রতিবেদক নিজেও কয়েকদিন আগে সিএসসির দপ্তরে ফোন বিভিন্ন…

আরও পড়ুন
মুখ্যমন্ত্রীর দরবার 

ইউনানী কলেজের দূর্দশা মোচনের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে খোলা চিঠি লিখলেন আন্দোলনরত এক অধ্যাপক

ইউনানি মেডিকেল কলেজ অধিগ্রহন বিল বিধানসভায় বামেদের আমলে পাশ হয় । সময়ের বিচারে ১২ বছর অতিবাহিত হযে গেছে । এখনও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী ইউনানি মেডিকেল কলেজকে সরকার অধিগ্রহন করেনি । এর ফলে বন্ধ হতে বসেছে এই কলেজটি । ছাত্র-ছাত্রী ,শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা আন্দোলন শুরু করেছে । কয়েক সপ্তাহ ধরে সেই আন্দোলন চলছে । কোনো হেলদোল নেই সরকারের । এমতাবস্থায় ওই কলেজকে অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি লিখেছেন আন্দোলনরত ওই কলেজের এক অধ্যাপক । তা আমরা গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করছি ।…

আরও পড়ুন
জেলা মুখ্যমন্ত্রীর দরবার 

কোন পঞ্চায়েত করবে রাস্তা সংস্কার ? দুই পঞ্চায়েতের টানাপোড়েনে বেহাল দশা রাস্তার ; সংস্কারের দাবিতে সোচ্চার আরামবাগের জয়সিংহচকের মানুষ ; মুখ্যমন্ত্রী শুনতে পাচ্ছেন ?

সাহিদ খান, আরামবাগ: এ যেন আর এক ছিটমহল আরান্ডি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের শেষ সীমানাই শীতলপুরের মৌজাই একটি রাস্তা যেটি গোবরা পাড়া থেকে মাধবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এর জয়সিংহ চক( কালুপাড়ার) মধ্যে গিয়ে মিশেছে । যাতায়াত করে মাধবপুর পঞ্চায়েতের অধীনে জয়সিংহ চক কালুপাড়ার মানুষরা ।এই রাস্তাটি নির্মাণ হয়েছিল ২০১০ সালে। এই রাস্তার মধ্যে আছে একটি জয়সিংহ চক প্রাথমিক বিদ্যালয়, যেখানে জয়সিংহ (কালুপাড়া) গ্রামের বা শীতলপুর এলাকার এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা ওই স্কুলে পড়াশোনা করে, এবং স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে যাতায়াতের এই রাস্তাটিই হল একমাত্র পথ, যেখানে সেই রাস্তাটির বেহাল দশা। অতএব…

আরও পড়ুন
মুখ্যমন্ত্রীর দরবার 

দলিত ও মুসলিম সঙ্কট মোচনে মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি ফারুক আহমেদের (শেষ কিস্তি )

রাজ্য সরকারের চাকরিতে বিশেষ করে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পুলিশ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সহ বিভিন্ন বিভাগে সংখ্যালঘুদের বঞ্চিত করা হয়েছে, যার ফলে এই সব জায়গায় মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব বাড়েনি। জনসংখ্যার অনুপাতে  বেশি পরিমাণে মুসলিমরা শুধুমাত্র কারাগারে রয়েছে। কাউকে আবার বিনা দোষে মিথ্যা মামলায় জেলে ভরে রাখা হয়েছে। ভাবুন পরিবর্তনের জন্য আমরা অধিক সংখ্যায় সংখ্যালঘুরা এই সরকারকে একচেটিয়া ভোট দিয়েছিলাম। বাম সরকারের পতন সুনিশ্চিত করেছিলাম। বাস্তবিক আমাদের কল্যাণে এই সরকার কিছুই করছে না কিন্তু মুখে বলছেন মুখ্যমন্ত্রী ৯৯ শতাংশ কাজ করে দিলাম। রাজ্যের যে-কোনও রাজনৈতিক দলের দিকে চোখ রাখলে দেখত পাই শহীদের তালিকায় মুসলমান…

আরও পড়ুন
মুখ্যমন্ত্রীর দরবার 

মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদের (দ্বিতীয় কিস্তি ) )

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস বুরো এক রিপোর্টে প্রকাশ, বিগত দশ বছরে দলিত নির্যাতনের ঘটনা ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি ১৫ মিনিটে ১টি করে অপরাধমূলক ঘটনা ঘটানো হয়েছে দলিতদের বিরুদ্ধে। দেশে দলিতদের উপর নির্যাতনের ঘটনা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে দলিতদের মনে। সেই সঙ্গে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার, বঞ্চনা ও বৈষম্যের ঘটনাও চরমহারে বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতে। প্রতিদিন দলিতের ৬ জন নারী ধর্ষিতা হন। বিজেপি শাসিত রাজ্যেগুলিতে দলিত ও সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা অনেক বেশি। “লাভ জেহাদ”, “গো রক্ষা”-র নামে অসহায় সাধারণ মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। যা চোখে দেখা যায়…

আরও পড়ুন
মুখ্যমন্ত্রীর দরবার 

দলিত ও মুসলিম সঙ্কট মোচনে মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি ফারুক আহমেদের ( প্রথম কিস্তি)

ফারুক আহমেদ :  ১৯৪৭ সালে ১৫ আগস্ট স্বাধীন হল আমাদের দেশ ভারত। কত বছর পেরিয়ে গেল তবুও পিছিয়ে রাখা হল দলিত ও সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায় সব থেকে বেশি পিছিয়ে আছে। ভারত স্বাধীন হওয়ার ৭০ বছর পরেও পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের মধ্যে আর্থিক ও সামাজিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া ঘরের ছেলেমেয়েরা মূল স্রোতে উঠে আসতে পারেনি আজও। বহু সংগ্রাম করে কিছু সংখ্যক উচ্চশিক্ষা নিতে এগিয়ে আসছে এটাই এখন বড় আলোর দিশা। এ বিষয়ে কিছু মিশন স্কুলের অবদান উল্লেখযোগ্য। মুসলিমদের পরিচালিত ট্রাস্ট ও সোসাইটির নিজস্ব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় না থাকার ফলে বহু ছাত্রছাত্রী আর্থিক…

আরও পড়ুন