কলকাতা 

আগামী ২০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিয়ে রাজ্য সরকার পদক্ষেপ না করলে দিল্লিতে ধর্নার হুশিয়ারি ; বুধবার মহানগরে কয়েক হাজার শিক্ষকের মিছিলে উত্তাল কলকাতা

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : রাজ্য সরকার আগামী ২০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৈষম্যের নিস্পত্তির না করলে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দরবার করবেন বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয় ,এবার প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিয়ে  দিল্লিতে ধরনায় বসতে চলেছে উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বা ইউইউপিটিএ। দিল্লিতে ধরনার বিষয়ের কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদিকা পৃথ্বা বিশ্বাস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে সময় প্রার্থনা করেছে ইউইউপিটিএ।

লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের দিল্লি অভিযান মমতা সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের আবহে বেতন বৈষম্য দূরের দাবিতে বুধবার কলকাতায় ফের রাস্তায় নামেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। অন্তত ৫ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা একটি মিছিল করে মৌলালির রামলিলা ময়দানে জমায়েতও করেন। এই মিছিল ও জমায়েতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্পষ্টতই রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দেন।

এনসিটিই-র বলে দেওয়া হারে যাতে অবিলম্বে মাইনে দেওয়ার ব্যবস্থা রাজ্য সরকার করে তার দাবি তোলেন তারা। বেতন বৈষম্য নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকরা বছর খানেকেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলনে নেমেছেন। অভিযোগ, প্রতিবারই রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও আসলে কাজের কাজ কিছুই হয় না। আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবি, তাঁরা কারোর কাছে ভিক্ষা চাইছেন না বা বেতন বৃদ্ধির দাবিও তুলছেন না। তাঁরা শুধু বলতে চাইছেন এনসিটিই-এর বলে দেওয়া হারে তাঁদের মাইনেটা দিক সরকার। প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিযোগ, এনসিটিই-র নির্দেশ অনুযায়ী তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান বাড়াতে হয়েছে। এখন প্রাথমিকে নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিকে অন্তত ৫০ শতাংশ নম্বর এবং সঙ্গে ২ বছরের ডিইএলইডি-এর প্রশিক্ষণ। শিক্ষাগত যোগ্যতা যেমন বাড়ানো হয়েছে তেমনি মাইনেতেও এনসিটিই বদ্ধি ঘটিয়েছে। যার ফলে এনসিটিই-এর প্রদত্ত নিয়ম অনুযায়ী প্রাথমিকের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পিআরটি স্কেলে ৯৩০০ টাকা থেকে ৩৪,৮০০ টাকা এবং গ্রেড পে-তে ৪২০০ টাকা করে পাওয়ার কথা। কিন্তু এখনও যে মাইনেটা রাজ্য সরকার দিয়ে চলেছে তা হল পে ব্যান্ড-এ ৫৪০০ টাকা থেকে ২৫,২০০ টাকা এবং গ্রেড পে ২৩০০ থেকে ২৬০০ টাকা।

ছবি : প্রতীকি


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment