কলকাতা 

রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা উদ্বেগজনক ? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরে রিপোর্ট পাঠালেন রাজ্যপাল

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক :  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে মুখবন্ধ খামে গোপন রিপোর্ট পাঠালেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। আজ সোমবার ইমেল মারফৎ এই রিপোর্ট মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ সূত্রে থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

শুধু তাই নয়, রাজ্যের ভূমিকাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই গোপন রিপোর্টে। এছাড়াও, রবিবার পুলিশ কমিশনারের বাড়ির সামনে কীভাবে সিবিআই আধিকারিকদের হেনস্তা করা হয়েছে সেই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ক্ষেত্রে তাঁর কি ভূমিকা ছিল সেই বিষয়টিও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্রে জানা গিয়েছে যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ইতিমধ্যে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীকে দিল্লিতে তলব করেছে। সম্ভবত আজ রাতেই দিল্লি উড়ে যেতে পারে রাজ্যপাল। যদিও এখনও পর্যন্ত রাজভবনের তরফে এই বিষয়ে কিছুই জানায়নি।

প্রসঙ্গত, রবিবার রাতেই রাজ্যপাল নবান্নের শীর্ষ কর্তাদের তলব করেন। মুখ্যসচিব মলয় দে, স্বরাষ্ট্র সচিব অত্রি ভট্টচার্য এবং ডিজিপি বিরেন্দ্রকে তলব করেন রাজ্যপাল কেশরী নাথ ত্রিপাঠী। তাঁদের কাছ থেকে ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ জানতে চান কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। অন্যদিকে, রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন সিবিআই আধিকারিকদের একটা প্রতিনিধিদল।

দীর্ঘক্ষণ তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। তাঁদের কাছ থেকেও আলাদাভাবে বিস্তারিত রিপোর্ট নেন তিনি। এছাড়াও বিভিন্ন সূত্র থেকে ঘটনার আরও তথ্য জোগাড় করেন রাজ্যপাল। সেই সমস্ত তথ্য এক জায়গায় এনে রিপোর্ট তৈরি করেন কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। আর সেই রিপোর্ট ইমেল মারফৎ রাজনাথ সিংয়ের দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, রবিবার রাতেই রাজ্যপাল নবান্নের শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছেন। মুখ্যসচিব মলয় দে, স্বরাষ্ট্র সচিব অত্রি ভট্টচার্য এবং ডিজিপি বিরেন্দ্রকে তলব করেন রাজ্যপাল কেশরী নাথ ত্রিপাঠী। এদিকে জানা গেছে , রাজ্যপাল কেন্দ্র করে রিপোর্ট পাঠানোর আগে কলকাতাস্থিত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতরের জয়েন্ট ডিরেক্টরের সঙ্গেও বৈঠক করেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা গেছে ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment