দেশ 

মোদীর আচ্ছে দিনের স্বপ্ন অস্তাচলে ! বেকারত্ব ৪৫ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে ; বিশাল বিপর্যয় , টাইম ফর নমো গো টু প্রতিক্রিয়া রাহুলের

শেয়ার করুন
  • 24
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মোদী । কিন্ত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই আচ্ছে দিন আর আসেনি । বরং মোদীজির আমলে এদেশর বেকার সমস্যা তীব্র আকার ধারাণ করেছে । এটা কোনো সংবাদপত্রে বানানো গল্প নয় কিংবা পাপ্পু অর্থাৎ রাহুল বা বাচ্চী প্রিয়াংকার অভিযোগ নয় । খোদ ভারত সরকারের স্যাম্পেল সার্ভে রিপোর্টে এই ভয়াবহ চিত্র প্রকাশিত হয়েছে । যদিও তা সরকারি ভাবে প্রকাশ করা হয়নি । কিন্ত ওই গোপন দেশের এক প্রখ্যাত সংবাদ প্রকাশ পেয়েছে । এই ঘটনা সামনে আসার সঙ্গে মোদী সরকারের উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র ভারতবাসীর কাছে স্পষ্ট হয়েছে ।

প্রকাশিত রিপোর্ট মত ,২০১৭-১৮ সালে দেশে বেকারত্বের হার ছিল জনসংখ্যার নিরিখে ৬.১ শতাংশ  যা বিগত ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর এই তথ্য উঠে এসেছে খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের ন্যাশানাল স্যাম্পেল সার্ভে অফিসের রিপোর্টে। যদিও রিপোর্টটি সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়নি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই রিপোর্ট সামনে এনেছে।

প্রকাশিত রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২-৭৩ সালের পর দেশে বেকারত্বের হার ২০১৭-১৮ সালে সবথেকে বেশি ছিল। গ্রামের থেকে শহরে বেকারত্বের হার আরও বেশি। ২০১৭-১৮ সালে শহরে বেকারত্বের হার ছিল ৭.৮ শতাংশ। সেখানে গ্রামে বেকারত্বের হার ছিল ৫.৩ শতাংশ। কাজে অংশগ্রহণের হারও কমে গেছে। ২০১১-১২ সালে বেকারত্বের হার ছিল ২.২ শতাংশ।

উল্লেখ্য গতকালই ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকাল কমিশনের দুই সদস্য পদত্যাগ করেন। তাঁদের অভিযোগ  ২০১৮ ডিসেম্বরে ন্যাশানাল স্ট্যাটিসটিকাল কমিশন এই  রিপোর্টটি জমা দেওয়া সত্ত্বেও  রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি । এই অভিযোগেই ওই দুই সদস্য পদত্যাগ করেন । মনে করা হচ্ছে লোকসভা ভোটের দোরগোড়ায় এই রিপোর্টে সামনে এলে তা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে অস্বস্তিকর হবে। সেজন্যই রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়নি।যদিও আজ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, “আমরা বলেছিলাম, রিপোর্ট প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত আমাদের। আমরাই নির্ধারণ করব কখন এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে।”

অবশ্য নীতি আয়োগের যুক্তি ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ভালো তা সকলে জানিয়েছেন। ফলে কর্মসংস্থান না হলে অর্থনীতি বাড়তে পারে না। গোটা রিপোর্ট যাচাই করে মার্চ মাসে ছাড়া হবে বলেও এদিন জানানো হয়েছে। নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার জানিয়েছেন, বিভিন্ন সেক্টরে কর্মসংস্থান বেড়েছে। যে রিপোর্ট ফাঁস হয়েছে তা খসড়া রিপোর্ট। নীতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্তও জানান, ভারতে যথেষ্ট পরিমাণে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে দেশের প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের বেকারত্ব নিয়ে সাম্পেল সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর তীব্র ভাষায় আক্রমন করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী । তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন , দেশের মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে , নমো মিথ্যাচারিতা ; ভাষণবাজি । তিনি টুইটে লিখেছেন ,”নমো চাকরি। প্রতি বছরে ২ কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ফুয়েরার। আর ৫ বছর পর ফাঁস হওয়া চাকরি তৈরির রিপোর্ট কার্ড একটা বিপর্যয়কে সামনে এনেছে। টাইম ফর নমো টু গো।”

 

 

 


শেয়ার করুন
  • 24
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment