বিনোদন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য 

বার্ণপুর উৎসব ২০১৯-এর সংগীত সন্ধ্যায় মঞ্চ মাতালেন অন্তরা চৌধুরি

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেখ আব্দুল মান্নান, বার্ণপুর(আসানসোল): বাঙালি মাত্রই সলিল চৌধুরীর কথা ও সুরে বাংলা গানে যে গভীর আনুগত্য তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অগনিত বাঙালি শ্রোতার সলিল চৌধুরীর গানের সেই স্বাদ অকাতরে মিটিয়ে চলেছে তার আত্মজা অন্তরা চৌধুরী। গত ২৬ জানুয়ারির সন্ধ্যায় বার্ণপুর উৎসব-২০১৯ উপলক্ষে স্থানীয় হিরাপুর থানা ময়দানে আয়োজিত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় বিশেষ আমন্ত্রিত শিল্পী হিসেবে একগুচ্ছ সলিল সঙ্গীতের ডালি নিয়ে মঞ্চে আসেন অন্তরা। ‘ও আলোর পথযাত্রী এই দিনরাত্রি’ দিয়ে অন্তরা তার মনমাতানো সঙ্গীতানুষ্ঠানের সূচনা করেন।

এরপর তিনি ছ- বছর বয়েসে মায়ের সাথে দ্বৈতকণ্ঠে গাওয়া প্রার্থনা সঙ্গীত ‘বিশ্বপিতা তুমি হে প্রভু আমাদের প্রার্থনা এই শুধু’ পরিবেশন করে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। মুগ্ধ করে দেন সবার ছোটোবেলার পুজোর প্রিয়গান ‘ও আয়রে ছুটে আয় পুজোর গন্ধ এসেছে ঝ্যামকুড়াকুড় ড্যামকুড়াকুড় বাদ্যি বেজেছে’ শুনিয়ে। অন্তরা শ্রোতাদের অনুরোধে  ” চিন্না চিন্না মুদ্দা গুড়ে” তামিল ছবিতে গাওয়া ‘বুলবুল পাখি ময়না টিয়ে, আয়না যানা গান শুনিয়ে’ তামিলের সাথে বাংলাতে শোনান। লতামঙ্গেশকরের গাওয়া তার প্রিয় গান ‘ও মোর ময়না গো কার কারণে তুমি একেলা, কার বিহনে বিহনে তুমি উতলা’ এবং সলিল চৌধুরির মনস্তাত্বিক সঙ্গীত ‘এবার আমি আমার থেকে আমাকে বাদ দিয়ে’ পরিবেশন করে শ্রোতাদের ভাবের জগতে পৌঁছে দেন।

 

অন্তরার গানের মাঝে হঠাৎ রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের আবির্ভাব ও তাঁর কিছুকথা শ্রোতাদের মনোসংযোগের ব্যাঘাত ঘটালেও অন্তরা পুণরায় তাঁর গানের  যাদুতে সবাইকে স্ব- মেজাজে ফিরিয়ে আনেন। এরপর শ্রোতাদের পরিতৃপ্তির মাত্রাকে ক্রমবর্ধমান রেখে পরিবেশন করলেন ” ছেটি সি বাত” হিন্দি সিনেমার গান ‘না জানে কিউঁ এ জিন্দেগি কি সাথ’। পরিবেশন করলেন ‘ও সোনা ব্যাঙ, ও কোলা ব্যাঙ’,’সুরের এই ঝরঝর ঝরনা’,  ‘আজ নয় গুনগুন গুঞ্জন প্রেমের’, ‘ধিতাং ধিতাং বোলে, এই মাদলে তাল তোলে’ এবং সলিল চৌধুরীর গাওয়া  ‘এই রোকো পৃথিবীর গাড়িটা থামাও আমি নেমে যাবো’ মন মাতানো গানগুলি। অবশ্য এদিন শিল্পী স্বাক্ষর বোসের সাথে দ্বৈতকণ্ঠে অন্তরা কয়েকটি ভিন্ন- স্বাদের সঙ্গীতও পরিবেশন করে শ্রোতাদের তৃপ্ত করেন।

বার্ণপুর উৎসব কমিটির তরফে প্রতিবার কলকাতার নামী শিল্পীদের এনে স্থানীয় সংস্কৃতি প্রিয় মানুষের এ হেন মনমাতানোর উদ্যোগ ধন্যবাদার্হ।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment