দেশ 

সমীক্ষায় প্রকাশ : নরেন্দ্র মোদীর বিকল্প হিসাবে দেশের ৫২ শতাংশের মানুষের পচ্ছন্দ রাহুল গান্ধী ; ৮ শতাংশ মানুষ মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায়

শেয়ার করুন
  • 185
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : নরেন্দ্র মোদীর প্রধান প্রতিপক্ষ কে হতে পারেন ? কে হতেন পারেন মোদীজির বিকল্প ? কে দেশবাসীকে দিতে পারবেন বিকল্প সরকার । এই প্রশ্ন নিয়ে সমগ্র দেশজুড়ে কয়েক হাজার মানুষের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়েছিল ইন্ডিয়া টুডে-কার্ভি ইনসাইটের মুড অফ দ্য নেশন পোল ।  দেশব্যাপী করা সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদীর পরিবর্তে কাউকে বেছে নেওয়া হলে রাহুলই তাদের প্রথম পছন্দ। ২০১৯-এর লোকসভার দিকে লক্ষ্য রেখে বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুকে সামনে রেখে প্রায় ১৩ হাজার মানুষের ওপর এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল।

রাহুল গান্ধী ছাড়াও অন্য অপশনগুলি ছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, সিনিয়র কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।তবে পছন্দের তালিকায় রাহুল গান্ধীর পরেই রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর রাহুল গান্ধীর মধ্যে তফাত প্রায় ৪৪ পার্সেন্টেজ পয়েন্টের। যেখানে রাহুল গান্ধীর পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন ৫২ শতাংশ মানুষ, সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে মত প্রকাশ করেছেন ৮ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ ৮ শতাংশ মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছেন।


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৮ শতাংশ মানুষ চাইলেও, বিএসপি নেত্রী মায়াবতী, এসপির অখিলেশ যাদব, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কার্যত ধর্তর্ব্যের মধ্যেই আনেননি সাধারণ মানুষ। ৪ শতাংশ মানুষ কেজরিওয়ালকে, আর মায়াবতী আর অখিলেশকে যথাক্রমে ৩ ও ৫ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন। এমনটাই জানিয়েছে, ইন্ডিয়া টুডে-কার্ভি ইনসাইটের মুড অফ দ্য নেশন পোল।

এথেকে প্রমানিত হয় যে মোদীর বিকল্প হিসাবে দেশের মানুষ রাহুল গান্ধীকেই মেনে নিচ্ছেন । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা মায়াবতী , অখিলেশ ও কেজরিওয়াল থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছেন রাহুল গান্ধী ।

 

 

 


শেয়ার করুন
  • 185
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment