জেলা 

মানবাধিকার সংগঠনের পথসভা থেকে সুলতানার বিচারের দাবি উঠল

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মানবাধিকার সংগঠন APDR ও রাডিক্যাল এর উদ্যোগে গড়িয়া স্টেশনরোডে একটি প্রতিবাদ সভা উদযাপিত হল। সভায় প্রত্যেক বক্তাই গনধর্ষিতা ও নিহত কন্দর্পপুরের সুলতানা বিবির বিচার চেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। অভিযোগ, ১৭ এপ্রিল ঘটনা ঘটার দশ দিন অতিক্রান্ত। এখনও তদন্ত এতটুকুও এগোয়নি। এবিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। এপিডিআর এর রাজ্যনেতা রঞ্জিত শূর বলেন, চার সসন্তানের   মা হতদরিদ্র সুলতানা ১০০ টাকা রোজে একটা কারখানায় কাজ করতেন। কলকাতা থেকে ফেরার পথে রাতে স্টেশন গড়িয়া থেকে তাঁর বাড়ি কন্দর্পপুরে ফেরার পথে ঝড়জল রাতে দুষ্কতির হাতে পড়েন। গনধর্ষনের পর প্রমান লোপাটের জন্য নৃশংসভাবে ট্রাকের চাকায় পিষে তাঁকে হত্যা করা হয়। এর পরেই পুলিশ দূর্ঘটনার তত্ত্ব হাজির করে।

এপ্রসঙ্গে রঞ্জিত শূর প্রশ্ন তোলেন, এটা যদি দূর্ঘটনাই হবে তাহলে মৃতার শরীরে কাপড় নেই কেন? পরিবারের পক্ষে দাবি করা হয়, সুলতানার শাড়ি নয়, সালোয়ার-পাঞ্জাবীই পরনে ছিল । তাহলে দূর্ঘটনার সময় সেসবগুলো কোথায় গেল!
ঘটনার আসল কারণ পুলিশ আড়াল করছে বলে  অভিযোগ তোলেন।
সুলতানা মৃত্যুর ঘটনাকে দূর্ঘটনার তত্ত্ব খারিজ করে অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও বিচারের প্রক্রিয়া দ্রুত করার আর্জির দাবি ওঠে এদিনের পথসভায়।
সেই সঙ্গগে সুলতানার চার সন্তানের প্রতিপালনের দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে বলে দাবি ওঠে।
অভিযুক্তদের

দ্রুত গ্রেফতার না করা হলে সোনারপুর থানা ঘেরাও করা হবে বলে হু্ুঁশিয়ারি দেন বক্তরা।

রঞ্জিত শূর অভিযোগ করেন, এই এলাকায় প্রায়ই নানা ধরনের হেনস্তার শিকার হওয়া সত্ত্বেও কোনও প্রতিকারই হয়নি। নিহত সুলতানা অপরাধীদের চিনতে পেরেছিলেন বলেই তাঁর এই ভয়ংকর পরিনতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই সঙ্গেে ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে না পেয়েই পুলিশ সুলতানা মৃত্যুর ঘটনাকে দুর্ঘটনা বলে মন্তব্য করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি তিনি একাই নন, এই ঘটনায় পুুুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীও।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment