কলকাতা 

মৎস্যজীবীদের প্রাকৃতিক দূর্যোগ এবং বিপদ থেকে উদ্ধার করার জন্য অত্যাধুনিক নৌকা কিনছে রাজ্য সরকার

শেয়ার করুন
  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মৎস্যজীবীদের বিপদ থেকে উদ্ধার করতে বিশেষ ধরনের নৌকা নামানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। অত্যাধুনিক এই নৌকাগুলিতে জীবন রক্ষার নানা সরঞ্জামের পাশাপাশি এমন ব্যবস্থা থাকবে যাতে সেগুলি কোন ভাবেই ডুবে যাবে না। কোন দুর্ঘটনা বা চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গভীর সমুদ্রে আটকে পরা মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করতে এই সব নৌকাগুলি কার্যকর ভুমিকা নেবে বলে মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। এই নৌকাগুলিতে ‘লাইভ ট্র্যাকিং সিস্টেম’ ও থাকবে । সেক্ষেত্রে আশপাশের বন্দর এবং অনান্য জাহাজ থেকে এদের অবস্থান জানা যাবে। উপকুল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দুরত্বে কাজ করতে স্বক্ষম হবে এগুলি। মৎস্য দপ্তর সূত্রে খবর ইতিমধ্যেই একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে এই নৌকা কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য বন্দরে সেগুলিকে রাখার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনার সময় তৎপরতার সময় ওই ঐ সব নৌকাগুলিকে কাজে লাগানো যায় ।

গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করার জন্য রাজ্য সরকারের নিজস্ব কোন পরিকাঠামো নেই। উপকূল এলাকা ও সমুদ্রে কোস্ট গার্ড বিপর্যয় মোকাবিলা ও দুর্ঘটনার কবলে পরা মৎস্যজীবীদের উদ্ধারের কাজ করে। প্রয়োজনে নৌসেনার সহায়তা নেওয়া হয়। রাজ্যের মৎস্য দপ্তরের এক আধিকারিকের কথায়, ‘রাজ্য সরকার চায় উপকূল রক্ষী বাহিনী বা নৌসেনার মুখাপেক্ষী হয়ে না থেকে নিজেদের বিপর্যয় মোকাবিলা পরিকাঠামো তৈরি করতে। সে জন্য অত্যাধুনিক সাজ সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর, মৎস্য দপ্তর, বন ও সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তর সমন্বয় রেখে এই পরিকাঠামো তৈরি করছে। এই ধরনের আধুনিক উদ্ধারকারি নৌকাগুলি কেনার টাকা মৎস্য দপ্তর দিলেও লাইসেন্স বন দপ্তর দেবে বলে ঐ আধিকারিক জানিয়েছেন। নৌকাগুলি বিভিন্ন মৎস্যজীবী সংগঠনের হাতে পরিচালনার ভার দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে।


শেয়ার করুন
  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment