নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে ইরশাদ আলমকে বৌবাজারকাণ্ডে ধৃতদের জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে বলল পুলিশ, ১০ই জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে অভিযুক্তরা
বৌবাজারে অবস্থিত হবু ডাক্তারদের হোস্টেলে এক যুবককে পিটিয়ে মারার ঘটনায় জামিন পেল না গ্রেফতার হওয়া পড়ুয়ারা।তাদেরকে ১০ ই জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৌবাজারকাণ্ডে ধৃতদের গ্রেফতারির পর আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক ৪ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই মেয়াদ শেষ হলে বৃহস্পতিবার তাঁদের আবার আদালতে হাজির করানো হয়। পুলিশের তরফে আইনজীবী আদালতে জানান, ঘটনার দিন হস্টেলের ভিতরে যুবককে বেধড়ক মারধর করা হয়। ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও দরজা খোলা হয়নি।
আইনজীবী জানিয়েছেন, যুবক যাতে পুলিশের সামনে মুখ না খুলতে পারেন, সেই বন্দোবস্ত করেছিলেন অভিযুক্তেরা। যত ক্ষণ না তিনি কথা বলার ক্ষমতা হারাচ্ছেন, তত ক্ষণ মারধর চালিয়ে যাওয়া হয়। তিনি কথা বলতে পারবেন না, এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর খুলে দেওয়া হয় হস্টেলের দরজা। তার পর পুলিশ ভিতরে ঢোকে। ইরশাদ আলম নামে ওই যুবকের মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত করার পরেই তবেই ক্ষান্ত দিয়েছে তথাকথিত হত্যাকারী ছাত্ররা।

কলকাতা পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে বিষয়টি দেখলেও এখনো পর্যন্ত কোন মহল থেকেই এই সকল শিক্ষার্থীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়নি। মনে করা হচ্ছে কুরবান আলীর মতোই পরিণতি হবে ইরশাদের মৃত্যু রহস্য। সব মিলিয়ে আজও জামিন পেল না ওই সকল শিক্ষার্থীরা তবে যাদের পরীক্ষা আছে তাদের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

