কলকাতা 

বাংলায় হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাচ্ছে ; মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চায় হিন্দু সংহতি

শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলা জনরব ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছে বলে অভিযোগ করে সমস্যার সমাধানে তাই রাজ্যজুড়ে কর্মসূচী নিয়েছে হিন্দু সংহতি ৷ ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য তারা উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মুখ্যমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চলেছে । ইতিমধ্যে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে উলুবেড়িয়া, ক্যানিং, বনগাঁ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে এসডিও অফিসে তিনদফা দাবি নিয়ে গনডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে । হিন্দু সংহতির সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য কলকাতা থেকে প্রকাশিত এক নিউজ পোর্টালকে বলেছেন, ‘‘পশ্চিমবাংলায় জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেছে৷ অতীতে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ভারত ভাগ হয়েছিল ৷ ভারতের যে অংশগুলিতে মুসলিম জনসংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল সেগুলি দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েগিয়েছিল ৷ আজও আমরা দেখতে পাচ্ছি যেখানে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সেখানেই পাকিস্তানের সমর্থণে স্লোগান উঠছে৷ ওরা সংখ্যায় বাড়লে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থাও কাশ্মীরের মতো হবে৷’’

হিন্দু সংহতির নেতা পরিসংখ্যান তুলে বলেছেন , ‘‘দেশভাগের সময় প্রায় ১৯ শতাংশ মুসলিম ছিল ভারতে৷ এখন সংখ্যাটা তিরিশ শতাংশ৷ সীমান্ত অঞ্চলের প্রায় ৪০ শতাংশ ব্লক এখন মুসলিম অধ্যুসিত৷ তিনটি জেলাতে মুসলিমরা সংখ্যা গরিষ্ঠ৷ এই যে সবার অলক্ষ্যে রাজ্যের জনসংখ্যার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে এর পেছনে রয়েছে মুসলিমদের অনিয়ন্ত্রিত জন্মহার এবং বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ৷ এইগুলি আটকানোর জন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তিনদফা দাবি জানিয়েছি৷’’

রাজ্যে হিন্দুদের ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা যাবে তা নিয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ডেপুটেশনের আকারে সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছেতিনটি ।

১- বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান করতে হবে৷ ২- সকলের জন্য জন্ম নিয়ন্ত্রণ বাধ্যতামূলক করতে হবে৷ ৩- অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাড়াতে হবে৷ প্রথমটি এসডিওর মারফৎ-ই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজেদের দাবি পাঠাচ্ছে হিন্দু সংহতি ৷ বনগাঁ ছাড়াও ক্যানিং এবং উলুবেড়িয়াতেও একইভাবে এসডিওদের কাছে নিজেদের তিনদফা দাবির লিখিত কপি জমা করেছে হিন্দু সংহতি৷


শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment