দেশ 

সিএএ কার্যকরী হওয়ার পর মাত্র ১৪ জন শরণার্থী নাগরিকত্ব পেল! লোকসভা ভোটের মুখে চাপে বিজেপি

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অর্থাৎ সি এ এ লাগু হওয়ার পর এই প্রথম ১৪ জন শরণার্থীকে নাগরিকত্ব দিল সরকার। বুধবার ১৪ জনের হাতে নাগরিকত্বের নথি তুলে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রের খবর, এই ১৪ জনই CAA’র জন্য যে বিশেষ পোর্টাল চালু করা হয়েছিল, সেই পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করেন। নথি যাচাইয়ের পর তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্রসচিব ভাল্লা তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এদিকে বুধবারই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) দাবি করেছেন, দ্রুতই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের অধীনে ৩০০ জনকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

Advertisement

পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে আসা অ-মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতেই আনা হয়েছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA)। ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হলেও বিধি নিয়ে জট থাকায় তা এতদিন বলবৎ করা যায়নি। গত ১১ মার্চ গেজেট নোটিফিকেশন দিয়ে CAA কার্যকর করার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। চার বছরের অপেক্ষার পর বিতর্কিত এই আইন কার্যকর হয়। আগ্রহীদের জন্য বিশেষ পোর্টালও তৈরি করে কেন্দ্র। সেই পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করেই নাগরিকত্ব পেলেন এই ১৪ জন।

১৯৫৫-র নাগরিকত্ব আইনের সঙ্গে সিএএ-র ফারাক উসকে দিয়েছে বিতর্ক। ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে কোনও ধর্মের উল্লেখ ছিল না। ২০১৯ সালে কেন্দ্র সরকার যে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশ করিয়েছে তাতে স্পষ্টত ধর্মের উল্লেখ আছে। আর সেটাতেই আপত্তি ছিল মমতা-সহ বিরোধীদের। যদিও সেই আপত্তি ধোপে টিকল না।

এত প্রচার সত্ত্বেও মাত্র ১৪ জনকে নাগরিকত্ব দিতে পারল সি এ এ। এ থেকে এটা স্পষ্ট এই আইন জনগণের কাছে সেভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। যদিও অমিত শাহ বলেছেন আগামী দিনে আরও ৩০০ জনকে এই আইনে নাগরিকত্ব দেয়া হবে কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে এই ৩০০ জন মানুষের জন্য এই আইন তৈরি করার কোন প্রয়োজন ছিল কি? শুধু তাই নয় পশ্চিমবাংলার মতুয়া সম্প্রদায় কে এই আইনের বলেন নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও তাদের কজন এই আইনের আবেদন করেছে সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কি কোন তথ্য প্রকাশ্যে আনবে?


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ