জেলা 

“রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে তৈলমর্দনই সবচেয়ে ভালো নীতি” সৌমিত্র খানের এই পোষ্ট ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল

শেয়ার করুন
  • 11
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : তৃণমূল দলের মধ্যেই কী এবার বিদ্রোহের সুর তীব্র হচ্ছে ।।  বোলপুরের সাংসদ অনুপম হাজরা পর এবার বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁনের ফেসবুক পোষ্টকে ঘিরে এরকমই এক সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। আজ ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে তৈলমর্দনই সবচেয়ে ভালো নীতি।” সাংসদের এই পোষ্ট প্রকাশ হওয়ার পরই রাজ্য জুড়ে বির্তক শুরু হয়েছে ।

সাংসদের এই ফেসবুক পোস্টের পরই শুরু হয় বিতর্ক। তৃণমূলের অন্দরে তো বটেই, সৌমিত্র-র ফেসবুক পোস্টে বিতর্ক তৈরি হয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। অবশ্য সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তরুণ সাংসদ বলেন ,”এটা সব পার্টির ক্ষেত্রেই হয়। আমি দলের সব কাজ করেছি। এটা নিতান্তই ব্যক্তিগত মতামত। ” তৃণমূল সাংসদের ফেসবুক পোস্টের প্রসঙ্গে সিপিএম সাংসদ মহম্মদ সেলিম বলেছেন, “যদি কোনও রাজনৈতিক দল পরিবার বা ব্যক্তি নিয়ন্ত্রিত হয়, তবে তেল দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। ”

অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন সাংসদ সরদার আমজাদ আলী বলেন , সৌমিত্র খান বর্তমানে যে রাজনৈতিক দলে আছেন তাতে তাঁর তৈল মর্দন করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই । কারণ ওই দলে একমাত্র একজনই দলনেত্রী এবং ব্যক্তি কেন্দ্রিক দল । সুতরাং সৌমিত্রকে ওই দলে রাজনীতি করতে হলে এটা মেনে নিতে হবে ।

রাজনৈতিক মহল মনে করছেন , সৌমিত্র খান প্রকৃত পক্ষে কংগ্রেসী ঘরানার নেতা ; তিনি মুকুল রায়ের হাত ধরে তৃণমূলে এসেছিলেন । মুকুল রায় তৃণমূল থেকে বিজেপিতে চলে যাওয়ায় তিনি কার্যত দলে কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন । তাই এই মন্তব্য করেছেন । শোনা যাচ্ছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে আর প্রার্থী করা নাও হতে পারে ।

 


শেয়ার করুন
  • 11
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment