কলকাতা 

রাজনীতি ও সংসদীয় জীবনের বর্ণময় অতীত নিয়ে আমজাদ আলীর গ্রন্থ ‘ তিনাঙ্ক ‘ প্রকাশ হল প্রেস ক্লাবে

শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বুলবুল চৌধুরি : সরদার আমজাদ আলী শুধু মাত্র একজন প্রখ্যাত আইনজীবী নন , তিনি একজন রাজনীতিবিদ , মাত্র ২৮ বছর বয়সে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে সংসদে নিজের দক্ষতায় খ্যাতির শীর্ষে  পৌছে ছিলেন । প্রণব মুখার্জির অনেক আগেই তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর স্নেহভাজনে পরিণত হয়েছিলেন । কেমন ছিল তাঁর সংসদীয় জীবন ?  কেমন ছিল বিরোধী শাসক দলের নেতাদের মধ্যে সর্ম্পক ? এ নিয়ে এবার কলম ধরেছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী সরদার আমজাদ আলী । এই কলমে উঠে এসেছে সমাজ ও জীবনের গল্প । রাজনীতির কথন । অনেক অজানা ঘটনার প্রকাশ ঘটেছে তাঁর গ্রন্থে ।

১৪ ডিসেম্বর কলকাতা প্রেস ক্লাবে তাঁর সংসদীয় জীবনের কাহিনী এবং ঐতিহাসিক ঘটনাগুলি নিয়ে লেখা তিনাঙ্ক গ্রন্থটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করা হয় । গ্রন্থটি প্রকাশ করেন অধ্যাপক সৌরিন ভট্টাচার্য , অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র , প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত , নেপাল চন্দ্র বসু প্রমুখ । সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সুদীপ্ত রায় চৌধুরি ।

গ্রন্থটির বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন , আমজাদ সাহেব আমার দীর্ঘদিনের বন্ধু । তার এই গ্রন্থে সংসদীয় জীবনের ঘটনাবলীর বর্নণা রয়েছে । পশ্চিমবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক সন্তান কীভাবে জাতীয় রাজনীতিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তা আজকের প্রজন্মের জানা প্রয়োজন । আমজাদ সাহেবের তিনাঙ্ক বইটিতে তারই প্রকাশ ঘটেছে ।

প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত বলেন , আমজাদ সাহেব শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন , তিনি একজন সাংবাদিক সাহিত্যিক এবং আইনজীবীও । তাঁর এই গ্রন্থটি পড়লে এই সার্বিক গুণগুলির লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে যাবে । তিনি এক কথায় অকপট । কোথাও রাজনীতির স্বার্থে কিংবা ব্যক্তির স্বার্থে সত্য বলতে তিনি দ্বিধাগ্রস্থ নন ।

লেখক সরদার আমজাদ আলী বলেন , এটি আমার প্রথম গ্রন্থ । এতে বেশিরভাগ অংশটাই দিল্লি রাজনীতির কথা বলা হয়েছে ; তবে আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতি বিষয়ে তাঁর অভিঞ্জতা নিয়ে বই লেখার ইচ্ছা রয়েছে । তিনি আরও বলেন , এই গ্রন্থে তিনি কোথাও কপটতার আশ্রয় নেননি যা সত্য , যা তিনি নিজের চোখে দেখেছেন তাই প্রকাশ করেছেন ।

 

 


শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment