দেশ 

বিজেপি ১৫০ আসনও পাবেনা অখিলেশ যাদবের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে দাবি রাহুলের

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক :  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোকসভা নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই বলে আসছেন আবকি বার চারশ পার। বিভিন্ন সভার সমাবেশে এই ধরনের কথা বলতে বলতে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা ধারণা তৈরি হয়েছে যে, এবার মোদির কোন বিকল্প নেই এই এই ধারণাটা সাধারন মানুষের মনে পৌঁছে দেওয়ার জন্যেই আবকি বার চারশ পার। কিন্তু এটা আসলে সত্য না যে রাজনৈতিক দল দেশের ৪৪৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সেই রাজনৈতিক দল কিভাবে ৩৭০ পাবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ থাকার কথা। কোন সংবাদ মাধ্যম এ নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলছে না তাই হয়তো মোদীজি একথা বলে যাচ্ছেন। এমনকি সম্প্রতি একটি নির্বাচনী সভায় নরেন্দ্র মোদি বলেছেন বিরোধীদলত বলছেন না জিতব। তাহলে ভোটের আগেই বিরোধীরা হেরে বসে আছে। আজ বুধবার রামনবমীর দিন ঠিক এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন উত্তরপ্রদেশে বসে রাহুল গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব।

সেখানেই সপা প্রধান অখিলেশ যাদবকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক থেকে বিজেপিকে তোপ দাগেন রাহুল। বলেন, “আমি সাধারণত আসন সংখ্যা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করি না। তবে ১৫-২০ দিন আগে আমি ভাবছিলাম বিজেপি প্রায় ১৮০টি আসন জিতবে। কিন্তু এখন আমি বলছি, বিজেপি তথা এনডিএ জোট ১৫০টি আসনও পাবে না। আমরা প্রতিটি রাজ্য থেকে রিপোর্ট পাচ্ছি, বিরোধী জোট অত্যন্ত শক্তিশালী হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশে আমরা অত্যন্ত শক্তিশালী জোট। এবং আমরা নিশ্চিতভাবে এখানে ভালো ফল করব।”

Advertisement

এদিন মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হন রাহুল। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আসলে দুর্নীতির চ্যাম্পিয়ন।” ব্যাখ্যা দিয়ে রাহুল বলেন, “নির্বাচনী বন্ড নাকী স্বচ্ছতার জন্য আনা হয়েছিল! তাই যদি হবে সুপ্রিম কোর্ট খারিজ কেন করল? কে টাকা দিল, কত টাকা দিল, কবে টাকা দিল, এই তথ্যগুলো কেন লোকানো হল।” এরপরই সুর চড়িয়ে বলেন, “কোনও সংস্থা বড় অর্ডার পেলে, কিংবা সংস্থার অফিসে ইডি-সিবিআইয়ের অভিযান চললে কয়েকদিনের মধ্যে বিজেপিকে টাকা দিয়ে দিচ্ছে সংস্থাগুলি। মাঠে ময়দানে এটাকে তোলাবাজি বলে।”

এদিন মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হন রাহুল। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আসলে দুর্নীতির চ্যাম্পিয়ন।” ব্যাখ্যা দিয়ে রাহুল বলেন, “নির্বাচনী বন্ড নাকী স্বচ্ছতার জন্য আনা হয়েছিল! তাই যদি হবে সুপ্রিম কোর্ট খারিজ কেন করল? কে টাকা দিল, কত টাকা দিল, কবে টাকা দিল, এই তথ্যগুলো কেন লোকানো হল।” এরপরই সুর চড়িয়ে বলেন, “কোনও সংস্থা বড় অর্ডার পেলে, কিংবা সংস্থার অফিসে ইডি-সিবিআইয়ের অভিযান চললে কয়েকদিনের মধ্যে বিজেপিকে টাকা দিয়ে দিচ্ছে সংস্থাগুলি। মাঠে ময়দানে এটাকে তোলাবাজি বলে।”

মোদি জমানায় দেশে ভয়াবহ বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে এবার মানুষ ভোটের বাক্সে জবাব দেবেন বলে দাবি করেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, “গত ১০ বছরে নোটবন্দি, ভুল জিএসটি করে রোজগার বন্ধ করে দিয়েছে। মানুষের কাছে এই বিষয়গুলি তুলে ধরছি আমরা। আমাদের ইস্তেহারে সব স্নাতক, ডিপ্লোমাদের বছরে এক লাখ টাকার রোজগারের গ্যারান্টি দিচ্ছি আমরা। দেশে ৩০ লক্ষ শূন্যপদ এই সরকার পূরণ করছে না। আমরা ক্ষমতায় এলে তা পূরণ করব। গরিব পরিবারে একজন করে মহিলাকে বছরে এক লাখ টাকা, কৃষকদের এমএসপির গ্যারান্টি দেব আমরা। যেভাবে মোদিজি কর্পোরেটদের ঋণ মাফ করেছেন, আমরা কৃষি ঋণ মাফ করব।” পাশাপাশি বিজেপির ইস্তাহারকে কটাক্ষ করে রাহুল বলেন, “ওদের ইস্তাহার দেখুন, অলিম্পিক আর চাঁদে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।”

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ওয়ানড় ও আমেঠি দুই কেন্দ্র থেকেই লড়েছিলেন রাহুল গান্ধী। যদিও আমেঠিতে হার দেখতে হয় তাঁকে। এবার ওয়ানড়ের পাশাপাশি আমেঠি না রায়বরেলিতে কোন আসনে লড়বেন রাহুল? জবাবে সোনিয়া তনয় বলেন, “দল থেকে আমাকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়, আমি তা পালন করি। দল আমাকে নির্দেশ দিয়েছে ওয়ানড় আসন থেকে লড়ার। তাই সেখান থেকেই নির্বাচন লড়ছি আমি।”


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ