জেলা 

বহরমপুরে তৃণমূল জিতলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো : অধীর রঞ্জন চৌধুরী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে পরাস্ত করার ডাক দিয়েছিলেন তৎকালীন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেদিন সেদিন অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছিলেন বহরমপুরে যদি আমি হেরে যাই তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো। উল্টোদিকে সেই দিন শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন অধীর চৌধুরীকে হারাতে না পারলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। সেই সময অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছিলেন শুভেন্দু কেন রাজনীতি ছাড়বে আমি হেরে গেলে আমিই রাজনীতি ছেড়ে দেবো।

তৃণমূলের শুভেন্দু অধিকারীর সাংগঠনিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়েও সেদিন অধীর কে হারাতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে ৮১ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। আজ সোমবার পহেলা এপ্রিল আবারো দাবি করলেন অধীর বাবু তিনি যদি ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে হেরে যান তাহলে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াবেন।

Advertisement

বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের সংখ্যালঘু মুসলমানদের সংখ্যা তুলনায় অনেকটাই বেশি। সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ মুসলিম ভোটারের বাস এই কেন্দ্রে। ভরতপুর, বহরমপুর, কান্দি, নওদা, রেজিনগর, বেলডাঙ্গা ও বড়ুয়া এই সাতটি বিধানসভা নিয়ে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র। এবার বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন বহরমপুরের চিকিৎসক নির্মল সাহা, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে এবার নাকি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সত্যিই কি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন অধীর?  আসলে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে চাই বলা হোক না কেন অধীর চৌধুরী প্রকৃত অর্থেই জননেতা বহরমপুরে। কারণ অনেকেই হয়তো ভালো করে জানেন না যারা কংগ্রেসকে ভোট দেন। সেই ভোটাররা কোনদিন অন্য কোন দলকে ভোট দেবে না জাতিগত সমীকরণের দিক থেকে। তৃণমূল কংগ্রেসের ভুলটা অন্য জায়গায় তারা যেটা ভেবে থাকে যে মুসলিম প্রভাবিত এলাকায় মুসলিম প্রার্থী দিলে মুসলিমকে মুসলমানরা ভোট দেবে এটার কোন বাস্তবতা নেই। এই বাস্তবতা যদি সঠিক হতো তাহলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিততে পারতেন না।

আর এইসব প্রচারে খানিকটা বিরক্ত হয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরী সোমবার রীতিমত চ্যালেঞ্জ জুড়ে বলে দিলেন তৃণমূল প্রার্থী যদি বহরমপুরে জিততে পারেন তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। অধীর চৌধুরীর বডি ল্যাঙ্গুয়েজে বলে দিচ্ছে তিনি অন্তত ইউসুফ পাঠানকে নিয়ে চিন্তিত নয়।

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ