দেশ 

‘আপনাদের কেজরিওয়াল সিংহ তাকে জেলে আটকে রাখা যাবে না’ বার্তা সুনিতার, সংবিধান নষ্ট করতে চাইছে বিজেপি দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমরা তা রুখব বার্তা কল্পনার, দুই রাজনীতিবিদের দুই স্ত্রীর আবেগ মোথিত ভাষণে উদ্বেল রামলীলা ময়দান

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি : দিল্লির রামলীলা ময়দান সাক্ষী রইল এক অভূতপূর্বক ঐতিহাসিক  দিনের যেদিন দুই জেলবন্দী রাজনীতিবিদের স্ত্রী ভাষণ দিলেন এই ময়দান থেকে। স্বাধীন ভারতে এই ঘটনা এর আগে ঘটেছে কিনা তা গবেষণার বিষয়। তবে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়েছে রবিবারের জনসমুদ্র গ্রহ অন্তত বিজেপির চিন্তা বাড়িয়েছে। রবিবারের জন প্লাবন এটা প্রমাণ করেছে এই ধারাবাহিকতা যদি বজায় থাকে আর এবারের লোকসভা নির্বাচনে এই পরম্পরা ভোট বাক্সে পড়ে তাহলে কিন্তু বিজেপির ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন স্বপ্ন থেকে যাবে।

মোদিজীর তৃতীয়বারর জন্য প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন হয়তো সাকার হবে না। এদিনের রামলীলা ময়দানে অরবিন কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি এবং ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত শোরেনের জেল বন্দির প্রতিবাদে অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এই সমাবেশে আকর্ষণীয় বক্তা ছিলেন দুই জেলবন্দী রাজনীতিবিদের স্ত্রী। এদিনের সমাবেশে প্রথম বক্তব্য রাখতে ওঠেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের স্ত্রী সুনিতা কেজরিওয়াল। এটাই ছিল তার প্রথম রাজনৈতিক মঞ্চে বক্তব্য রাখা। তাই এদিন তিনি বক্তব্য রাখতে উঠে স্পষ্ট ভাষায় দিল্লিবাসীকে বলে ওঠেন আপনাদের জন্য আমার স্বামী আরবিন কেজরিওয়াল ছটি প্রতিশ্রুতি পাঠিয়েছেন। আগামী লোকসভা নির্বাচনে আমাদের দলকে নির্বাচিত করলে আমার স্বামী কথা দিয়েছেন এই ছটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন তিনি করবেন।সেই সঙ্গে তিনি উপস্থিত সকল জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী আমার স্বামীকে জেলে বন্দি করে রেখেছেন। আপনারা বলুন তো এটা ঠিক? আপনারা বিশ্বাস করেন তো কেজরীওয়াল দেশপ্রেমিক এবং সৎ ব্যক্তি? এই বিজেপির লোকেরা বলছেন কেজরীওয়ালের পদত্যাগ করা উচিত, কিন্তু আপনারাই বলুন, তাঁর কী করা উচিত?” এর পরই সুনীতা গলা চড়িয়ে বলেন, ‘‘আপনাদের কেজরীওয়াল সিংহ। তাঁকে বেশি দিন জেলে বন্দি করে রাখা যাবে না।’’

Advertisement

সুনীতা যেখানে শেষ করেছেন, ঠিক সেখান থেকেই বক্তৃতা শুরু করেন কল্পনা। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের শক্তি দেশের ১৪০ কোটি মানুষের। এনডিএ সরকার বাবা অম্বেডকরের সংবিধান নষ্ট করে দিতে চাইছে। আমরা তা রুখবই। দেশের মানুষের থেকে বড় কোনও শক্তি হয় না। সেই শক্তি আমাদের সঙ্গে আছে। এই জনসমুদ্রই সেটা প্রমাণ করছে। ভারতের লোকতন্ত্র বাঁচাতেই হবে আমাদের।’’ ‘লোকতন্ত্র বাঁচাও’ সমাবেশে যোগ দিতে শনিবারই ঝাড়খণ্ড থেকে দিল্লি উড়ে এসেছিলেন কল্পনা। দিল্লি এসে সোজা চলে যান কেজরীওয়ালের বাসভবনে। সেখানে দেখা করেন সুনীতার সঙ্গে।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ