দেশ 

কংগ্রেসকে ১৭০০ কোটি টাকার জরিমানার নোটিশ পাঠালো আয়কর দফতর

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেসকে আর্থিক দিক দিয়ে পঙ্গু করে দেয়া লক্ষ্যে এবার নেমেছে আয়কর দফতর। ৩০ বছর আগের এক মামলা কে সামনে এনে এবার রাহুল গান্ধী-মল্লিকার্জুন খড়্গের দলের কাছে ১৭০০ কোটি টাকা চেয়ে পাঠানো হল নোটিস। কেন্দ্রীয় সংস্থাটির একটি সূত্র জানাচ্ছে, ২০১৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ অর্থবর্ষ পর্যন্ত আয়কর সংক্রান্ত রিটার্ন পর্যালোচনা করেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেন আয়কর নোটিসের প্রাপ্তি স্বীকার করে শুক্রবার বলেন, ‘‘পুরনো ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে আয়কর রিটার্ন পুনর্মূল্যায়নের নামে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত শয়তানি শুরু হয়েছে।’’

Advertisement

বকেয়া কর, তার সুদ এবং জরিমানার অঙ্ক মিলিয়েই ১,৭০০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে বলে ওই সূত্রের দাবি। আয়কর আইনের ১৩(১) ধারা লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলার পরেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গত ১৩ মার্চ আয়কর আপিল ট্রাইবুনালের নির্দেশের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের আবেদন দিল্লি হাই কোর্ট খারিজ করার পরেই ধারাবাহিক ভাবে পদক্ষেপ শুরু করেছে আয়কর দফতর।

বৃহস্পতিবারও ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের কর পুনর্মূল্যায়নের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের একটি নতুন আবেদন দিল্লি হাই কোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল। তার পরেই পাঠানো হল নতুন নোটিস। ২০১৮-১৯ মূল্যায়ন বর্ষের আয়কর সংক্রান্ত অনিয়মের জন্য ১০৫ কোটি টাকা জরিমানার নির্দেশের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় হস্তক্ষেপ চেয়ে কংগ্রেসের তরফে আর্জি জানানো হয়েছিল হাই কোর্টে। কিন্তু গত ১৩ মার্চ বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বেঞ্চ সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। বৃহস্পতিবারও বিচারপতি বর্মার বেঞ্চেই খারিজ হয় নতুন আবেদন।

লোকসভা ভোটের মুখে প্রচন্ড পরিমাণে চাপে পড়লো কংগ্রেস দল। দল নির্বাচনে লড়াই করবে না আদালতে লড়াই করবে সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও কংগ্রেস নেতারা এর জন্য সরাসরি নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেছে তাদের দাবি রাজনৈতিক দলগুলো আয়কর মুক্ত হয়ে কাজ করে থাকে। নরেন্দ্র মোদি শুধুমাত্র কংগ্রেসের ক্ষেত্রেই আয়কর দফতরকে কাজে লাগিয়েছে বলে কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ