কলকাতা 

মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন : ১২ হাজার পরীক্ষার্থীর আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক: আগামীকাল রবিবার তেসরা মার্চ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের যে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সেই পরীক্ষাতে ১২ হাজার চাকরি প্রার্থী পরীক্ষা দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগেই মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন ১২০০০ এর বেশি ছেলেমেয়ে বিভিন্ন কারণে এডমিট কার্ড বাতিল করেছিল। বক্তব্য ছিল নিয়ম মেনে সঠিকভাবে আবেদন পত্র পূরণ করা হয়নি। যদিও পরীক্ষা দেওয়ার দাবিতে এইসব পরীক্ষার্থীরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।

হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ তাদের এই আবেদন বাতিল করার পর আজ শনিবার জরুরী ভিত্তিতে ছুটির দিনেও কলকাতা হাইকোর্টে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের মামলা উঠে। দুই পক্ষের শুনানির পর ডিভিশন বেঞ্চ মামলাকারীদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বহু আবেদনপত্রে শুধুমাত্র স্নাতকস্তরে অনার্সে ৫০ শতাংশ নম্বর উল্লেখ ছিল। উল্লেখ ছিল না পাস সাবজেক্টের নম্বর। আর তাই মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে ১২ হাজার জনের আবেদনপত্র বাতিল করে দেওয়া হয়। বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবং পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর স্পেশাল ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ‘ব্রাত্য’ প্রার্থীরা। শনিবার সেই মামলার শুনানিতে দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আবেদনকারীদের আর্জি খারিজ করে দিল আদালত।

মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের বক্তব্য ছিল, বিজ্ঞপ্তিতে স্নাতক স্তরে পাস এবং অনার্সে প্রাপ্ত মোট নম্বরের ৫০ শতাংশ চাওয়া হয়েছে। তাই যারা শুধুমাত্র অনার্সের নম্বর দিয়েছেন, পাশের প্রাপ্ত নম্বর উল্লেখ করেননি আবেদনপত্রে, তাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। মামলাকারীদের আইনজীবীর পালটা বক্তব্য, অনার্স স্নাতকে অনার্সের নম্বরই গ্রহণযোগ্য। তাছাড়া কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে কোথাও নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি যে, যারা অনার্স স্নাতক তাদের পাস সাবজেক্টের প্রাপ্ত নম্বরও আবেদনপত্রে উল্লেখ করতে হবে। তাই তাদের আলাদা করে অন্য দিনে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। কিন্তু সেই যুক্তির মানলো না হাই কোর্টে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ