জেলা 

মৃত্যুর পর দুজন দৃষ্টিহীনের দৃষ্টি ফেরালেন নন্দবাবু

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি : মৃত্যুর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁর ইচ্ছা ছিল-পুড়িয়ে নষ্ট নয়- চক্ষুদানের মধ্য দিয়ে অন্য দুজনের দৃষ্টি ফিরিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা ফিরিয়ে দেওয়া। সেই মত মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে নন্দবাবুর কনিষ্ঠ কন্যা- মধুমিতা দাস চক্ষুব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করে চক্ষু দান করলেন। পেশায় মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী নন্দকিশোর দাস জীবন সংগ্রামের একজন নির্ভীক যোদ্ধা। ব্যবসার সঙ্গে সঙ্গে সমাজসেবী মানসিকতার জন্য নন্দবাবুর খ্যাতি ছিল।

তাঁর কথায়-ঈশ্বরের দেওয়া উপহার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ মৃত্যুর পর নষ্ট না করে সমাজকে ফিরিয়ে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। বারাসাত ভাইরাপল্লী নিবাসী নন্দকিশোর দাস, বয়স ৬২ বছর ফুসফুস জনিত রোগে আঙ্ক্রান্ত হয়ে ১৫ই ফেব্রুয়ারী রাত ৯:২০ মিনিটে বারাসাত জেলা হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট এ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তৎক্ষনাৎ তার কন্যা- কুমারী মধুমিতা দাস দিশা আই হসপিটাল পরিচালিত প্রভা আই ব্যাঙ্কের চিকিৎসক ডাঃ সুজয় পাল মহাশয়ের তত্ত্বাবধানে নন্দবাবুর চক্ষুদান করেন।

Advertisement

ডাঃ সুজয় পাল জানালেন:- “দুটি চোখ থেকে অক্ষত অবস্থায় কর্নিয়া সংগ্রহ করা হয়েছে। কর্নিয়ার কারনে অনেক মানুষ দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন, আমরা দু-জন অসহায় রোগীকে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে পারব।” মধুমিতা দেবী জানানঃ- “বাবার ইচ্ছা অনুযায়ী আমিও চক্ষুদানে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছি।”এই জাতীয় সামাজিক কাজকে কুর্নিশ জানাচ্ছে সমাজের আপামর মানুষেরা।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ