কলকাতা বিনোদন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য 

গল্প পত্রিকা ‘সিরজা’র বার্ষিক গল্পপাঠের অনুষ্ঠান

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদদাতা বাংলার জনরব: গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ কলকাতার গল্প পত্রিকা ‘সিরজা’র বার্ষিক গল্পপাঠ ও এক মনোজ্ঞ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলো শিয়ালদহ কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল হলে। শিল্পী চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবেশিত ‘ যখন এসেছিলেম অন্ধকারে চাঁদ ওঠেনি’ উদ্বোধনী রবীন্দ্র সংগীতের মধ্যে দিয়ে সূচনা হয় গল্প বিষয়ক প্রাঞ্জল সভা। পত্রিকা সম্পাদক সঞ্জিৎ কুমার দুবের অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যার পর বিশিষ্ট সাহিত্যিক সুকুমার রুজের সভাপতিত্বে এদিন ‘ সাহিত্যে স্বাদেশীকতা ও সাহিত্যিকের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নেন সাহিত্যিক অসীম কুমার চৌধুরী, বিশ্বনাথ সাউ, অমল কর, শান্তনু চক্রবর্তী, উপেক্ষিত শর্মা, হরিসাধন চন্দ্র ও অশোক চক্রবর্তী। ‘ সিরজা’র অন্যতম সহযোগী সাহিত্যিক উপেক্ষিত শর্মা তাঁর স্বাগতভাষণে সিরজার জন্মকাল থেকে নানা ঘাত প্রতিঘাত সম্বলিত এক বর্ণময় স্মৃতি রোমন্থন করেন। অসীম কুমার চৌধুরী নির্ধারিত আলোচ্য বিষয়ে আলোকপাত প্রসঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামের’ কান্ডারী হুশিয়ার’ কবিতার উদ্ধৃতি দিয়ে তাঁর দেশপ্রেমের কথা তুলে ধরেন।

শান্তনু চক্রবর্তী বলেন , যে কোনো সাহিত্য সমাজ সংস্কৃতি এবং রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তিনি তাঁর আলোচনায় রাজদ্রোহী এবং দেশদ্রোহীতার ফারাক বিশ্লেষণ করেন। অন্যতম বক্তা হরি সাধন চন্দ্র বলেন স্বাদেশিকতা মানে দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ। উদাহরণস্বরূপ তিনি ‘ পথের দাবী ‘ ও ‘গোরা উপন্যাসের মূল উদ্দেশ্য তূলে ধরেন।
সভাপতির ভাষণে সাহিত্যিক সুকুমার রুজ বলেন, দেশাত্মবোধ জাগ্রত করার জন্য সাহিত্যের ভূমিকা অগ্রনী। পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রে দেশাত্মবোধক যে সব বিপ্লব এ যাবৎ সংঘটিত হয়েছে তার পুরোভাগে অবশ্যই রয়েছে সাহিত্য। এক্ষেত্রে আমাদের দেশেও রবীন্দ্র, বঙ্কিম, শরৎ সাহিত্যের অবদানের কথা স্মরণ করতেই হয়।
আলোচনার পাশাপাশি এদিন উপস্থিত গল্পকারদের মধ্যে কয়েকজন অনুগল্প পাঠ করে দর্শক শ্রোতাদের মনোরঞ্জন করেন। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শান্তনু চক্রবর্তী, চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায়, সেখ আব্দুল মান্নান।
এদিন অনুষ্ঠানে আর এক আকর্ষণীয় দিক ছিল শ্রুতি নাটক।

Advertisement

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ