জেলা 

সংখ্যালঘু পরিবারের এক মহিলা জনপ্রতিনিধিকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করার পরেও শাসক দল মনোরঞ্জন ব্যাপারী নিয়ে নিরব কেন?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : মনোরঞ্জন ব্যাপারীর বেলাগাম আক্রমণ এবং অশ্লীল শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে হুগলি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পরিষদের সদস্যা রুনা খাতুন পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূল বিধায়ক। আসলে লেখক এই বিধায়ক নিজেকে একজন সৎ আদর্শ ব্যক্তি হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে রাজনীতি করতে গেলে যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপস করতে হয় সেটা তার চরিত্রের মধ্যে নেই। তবে এ কথা ঠিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনীত এই বিধায়ক যে ভাষায় সংখ্যালঘু পরিবারের এক জনপ্রতিনিধিকে আক্রমণ করেছেন তা কোন লেখকের ভাষা হতে পারেনা।

তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে যদি সামান্যতম সৌজন্যবোধ থাকে তাহলে অবিলম্বে এই বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত কারণ এই বিধায়ক আসলে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তি নিয়ে খেলা করছে। যে বিধায়ক দলনেত্রীর ভাব মূর্তি নিয়ে খেলা করার চেষ্টা করে তাকে কোনভাবেই মার্জনা করা উচিত নয় বলে ওয়াকিবহালমহাল মনে করছে।

Advertisement

একজন সংখ্যালঘু পরিবারের মহিলাকে যেভাবে ফুলন দেবী বলে, আক্রমণ করেছেন দলিত লেখক বলে পরিচিত মনোরঞ্জন ব্যাপারী তা এক কথায় ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এরপরেও এইরকম একজন ব্যক্তি কিভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের মতো দলে টিকে আছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তিনি ফেসবুকে পোস্ট করে যেভাবে সরাসরি দলের শৃঙ্খলার বিরোধিতা করে এবং রীতিমতো চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন ৭ জানুয়ারি তিনি ফেসবুক লাইভ করবেন শুধুমাত্র এই কথাটুকু বলার জন্যই দলীয় শৃঙ্খলা ভাঙ্গার দায়ে তাকে বহিষ্কার করা উচিত ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মনে রাখতে হবে এই রাজ্যে মুসলিমদের ভোটকে সম্বল করেই তিনি ক্ষমতায় টিকে আছেন তাই একজন মুসলিম পরিবারের একটি মেয়েকে যে ভাষায় ফুলন দেবী বলে আক্রমণ করেছেন এবং যে অশ্লীল শব্দ তিনি প্রয়োগ করেছেন যে কদর্য ইঙ্গিত তিনি করেছেন তার পরেও তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার অধিকার কি রয়েছে এই প্রশ্নটাই আজ বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

যাইহোক শেষ পর্যন্ত এই দলিত লেখক ক্ষমা চেয়েছেন জেলা পরিষদের সদস্য রুনা খাতুনকে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করার জন্য সেই পোস্টও তিনি মুছে দিয়েছেন ফেসবুক থেকে। তারপরও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে দলের নেতারা নীরব কেন?

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ