কলকাতা 

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে যাওয়ার জন্য জেল থেকে ব্রিটিশ সরকারকে চিঠি দেননি : সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সেখ ইবাদুল ইসলাম : স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষা মন্ত্রী মৌলানা আবুল কালাম আজাদ দেশের স্বাধীনতার আন্দোলনের সঙ্গে কোনদিন তিনি আপোষ করেননি। আপনারা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন তিনি যখন জেলে ছিলেন তখন তাঁর স্ত্রী প্রচন্ড অসুস্থ হয়। প্রায় মৃত্যু শয্যায়, সেই সময় এই মহান দেশপ্রেমিককে অনুরোধ করা হয়েছিল যে আপনি ব্রিটিশ সরকারকে চিঠি লিখে নিজের স্ত্রীকে দেখতে যাওয়ার জন্য অনুমতি নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল তিনি সেই অনুরোধ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, আমার স্ত্রীকে দেখতে যাওয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকারের অনুমতি নেব এটা হতে পারে না যদি ইহলোকে দেখা তার সঙ্গে না হয় তাহলে কাল কেয়ামতে দেখা হবে। তিনি জেলে থাকাকালীন সময়ে তাঁর স্ত্রী মারা গিয়েছিলেন। মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ আয়োজিত আজ ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার কলকাতার সল্টলেকে অবস্থিত দফতরের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত মাওলানা আবুল কালাম আজাদ স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গ্রন্থকার ও জনশিক্ষা দফতরের মন্ত্রী মাওলানা জনাব সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী এই কথাগুলি বলেন।

Advertisement

এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী আরো বলেন, তিনি কোন সময়ই কোন ব্রিটিশের সঙ্গে আপোষ করে তিনি দেশভাগের বিরুদ্ধে তিনি থেকে সড়ক ছিলেন। স্বাধীনতার দিন পর্যন্ত তিনি দেশভাগের বিরুদ্ধে কথা বলে গেছেন। সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী আরো বলেন, স্বাধীনতার জন্য তিনি যে অবদান রেখে গেছেন তা অবশ্যই স্মরণ যোগ্য। একই সঙ্গে তিনি সকলের কাছে আবেদন করেন প্রত্যেকটি মাদ্রাসাতে যেন বছরের একটি দেশ মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে নিয়ে আলোচনা হয় এর প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের কাছে মাওলানা আজাদের অবদানকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি এদিন আহ্বান জানান।

এদিনের সভায় স্মারক বক্তৃতা দেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইতিহাসবিদ প্রাক্তণ সাংসদ সুগত বসু। এদিনের সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী গোলাম রব্বানী, মাদ্রাসা পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তাহের কামরুদ্দিন, মাদ্রাসা দফতরের সচিব ওবায়দুর রহমান, জুলফিকার হাসান, মাদ্রাসা পর্ষদের সচিব আব্দুল মান্নাফ, সহ-সচিব আজিজুর রহমান, জুলফিকার হাসান, ডাইরেক্টর অফ মাদ্রাসা এডুকেশন আবিদ হোসেন প্রাক্তন ডিএমই আরফান আলী বিশ্বাস প্রমুখ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ