আন্তর্জাতিক 

জামিনে মুক্ত ইমরান, পাক রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত!

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : তোশাখানা মামলায় নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজায় রায়ে আগেই স্থগিতাদেশ দিয়েছিল ইসলামাবাদ হাই কোর্ট। এ বার পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট বিচারাধীন ‘রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ফাঁস’ মামলায় জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল। এর ফলে সাধারণ নির্বাচনের আগে প্রাক্তন পাক ক্রিকেট অধিনায়ক এবং তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর কাছে শীর্ষ আদালতের এই রায় ‘বড় জয়’ বলে মনে করা হচ্ছে। ইমরানের পাশাপাশি ওই মামলায় তাঁর সহ-অভিযুক্ত, প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশির জামিনের আবেদনও মঞ্জুর করেছে পাক সুপ্রিম কোর্ট।

গত অগস্ট মাসে ইসলামাবাদের বিশেষ আদালত তোশাখানা মামলায় তিন বছরের জেলের সাজা ঘোষণার পরেই ইমরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। পরে ইসলামাবাদ হাই কোর্ট সেই সাজায় স্থগিতাদেশ দিয়ে ইমরানের জামিন মঞ্জুর করেছিল। কিন্তু রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’ (ওএসএ)-এ মামলা চলায় তিনি জেল থেকে মুক্তি পাননি। এই পরিস্থিতিতে বুধবার পিটিআই নেতৃত্ব জানিয়েছিলেন, আদিয়ালা জেল থেকেই লাহোর, মিয়াঁওয়ালি এবং ইসলামাবাদে তিনটি কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।

Advertisement

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পাক পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ‘ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি’র নির্বাচন। ইমরান জেলে থাকলেও তাঁর দল পিটিআই ভোটে অংশ নেবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নভেম্বরে। ওএসএ মামলার কারণে ইমরান মুক্তি না পাওয়ায় নির্বাচনী প্রতীক ‘ব্যাট’ বজায় রাখতে পিটিআইয়ের সাংগঠনিক নির্বাচন সেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন পরিচালনকারী শীর্ষ সংস্থা ‘ইলেকশন কমিশন অব পাকিস্তান’ (ইসিপি)। সেই নির্দেশ মেনে চলতি মাসের গোড়ায় পিটিআই-এর নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ইমরান ঘনিষ্ঠ নেতা গোহর আলি খান। ১৯৯৬ সালে পিটিআই তৈরির পরে এই প্রথম বার ইমরানের পরিবর্তে দলীয় চেয়ারম্যান হিসাবে অন্য কাউকে নির্বাচিত করা হয়।

পাক সুপ্রিম কোর্টের শুক্রবারের রায়ের ফলে নির্বাচনী রাজনীতিতে ইমরানের প্রত্যাবর্তন কার্যত নিশ্চিত হল বলে আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশে মত।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ