কলকাতা 

উচ্চমাধ্যমিকে সিলেবাসের পরিবর্তন এবং পরীক্ষা ব্যবস্থাতেও বদল আসছে ! কী সেই বদল ?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : উচ্চমাধ্যমিক স্তরে সিলেবাসের পরিবর্তন হচ্ছে একইভাবে পরীক্ষা পদ্ধতিরও পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে উচ্চমাধ্যমিক সংসদ সূত্রে খবর । আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে সেমিস্টার ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে । নতুন ব্যবস্থায় সেমিস্টার ভিত্তিক পাস-ফেলের বিষয় থাকছে না বলে জানালেন উচ্চমাধ্যমিক (Higher Secondary Education) শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “একক কোনও সেমিস্টারে পাস-ফেল থাকছে না। তবে, প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টার মিলিয়ে পাস-ফেল থাকবে।”

প্রসঙ্গত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে সেমিস্টার ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সংসদের তরফে স্কুল শিক্ষা দফতরকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে আগেই। প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখে সেমিস্টার ব্যবস্থা কার্যকর করার কাঠামো তৈরির জন্য একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিল স্কুল শিক্ষা দফতর। বর্তমানে সেমিস্টার ব্যবস্থার প্রস্তাবটি সেই কমিটির বিবেচনাধীন। সংসদ সভাপতি জানিয়েছেন, স্কুল শিক্ষা দফতরের অনুমোদন পেলে তবেই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া নতুন পড়ুয়াদের থেকে চালু করা হবে সেমিস্টার ব্যবস্থা। আর দফতরের অনুমোদন সাপেক্ষেই সেমিস্টার ব্যবস্থার সঙ্গেই চালু করা হবে ৪৭টি বিষয়ের নতুন সংশোধিত পাঠ্যক্রম। যে কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। উচ্চমা্ধ্যমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান  চিরঞ্জীববাবু (Chiranjib Bhattacharya) বলেন, “আমরা যদি ২০২৪-২৫ থেকে সেমিস্টার ব্যবস্থা চালু করতে পারি, আমাদের লক্ষ্য থাকবে নতুন পাঠ্যক্রমটাও একসঙ্গে চালু করার। কারণ, এই দুটো একসঙ্গে চালু হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়। সেটা ২০২৪-২৫ হলেই ভালো। না হলে তার পরের শিক্ষাবর্ষে হবে। তবে আশা করছি, সবকিছু ঠিকঠাক চললে এবং সরকারি অনুমোদন পেলে হয়তো আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই চালু করতে পারব।”

Advertisement

শনিবার ৪৭টি বিষয়ের জন্য তৈরি সিলেবাস সাব-কমিটিগুলির সদস্যদের সঙ্গে প্রথম বৈঠক করলেন সংসদের কর্তারা। প্রতিটি বিষয়ভিত্তিক সাব-কমিটিতে রয়েছেন একজন বিশ্ববিদ্যালয়, একজন কলেজ ও দুজন করে স্কুলের বিশেষজ্ঞ। ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, গণিত, বায়োলজি-সহ ১০-১২টি প্রধান বিষয়ের সাব-কমিটি সিবিএসই স্কুল থেকে একজন করে বিষয় বিশেষজ্ঞ রাখা হয়েছে কমিটিতে। তাঁদের সংসদের তরফে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সংশোধিত নতুন ও সময়োপযোগী পাঠ্যক্রম তৈরি করা জমা দিতে। সেমিস্টার ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে ওই সময়সীমার মধ্যেই সংশোধিত পাঠ্যক্রমকে দ্বি-ভাগ করতেও বলা হয়েছে সাব-কমিটিগুলিকে।

সেমিস্টার ব্যবস্থা নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষাটি এমসিকিউ ও ওএমআর ভিত্তিক হবে। দ্বিতীয়টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলী ও বর্ণনামূলক প্রশ্নভিত্তিক হবে। প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা হবে নভেম্বরে। দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরের বছর মার্চে হওয়ার প্রস্তাব ছিল। দুটি সেমিস্টারের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর মিলিয়েই মার্কশিট তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল সংসদের তরফে। অর্থাৎ, দুটি সেমিস্টারের নম্বরের ভিত্তিতেই পরীক্ষার্থী সফল না অসফল তা স্থির করা


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ