প্রচ্ছদ 

বিজেপির আপত্তিতে তৃণমূলের ছয় মন্ত্রী সহ আট বিধায়ককে বিধানসভায় ভোট দিতে দিলেন না স্পিকার!

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : নজির বিহীন ভাবে আজ বুধবার রাজ্য বিধানসভায় ৬ জন মন্ত্রী এবং দুজন বিধায়ক ভোট দিতে পারলেন না। বিজেপির দাবি মেনে বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হাফ ডজন মন্ত্রী এবং দুজন বিধায়ককে মোট আটজন শাসকদলের বিধায়ককে ভোট দিতে দিলেন না বিধানসভার অন্দরে।

উল্লেখ্য,পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ‘ক্রিমিনাল জাস্টিস ডেলিভারি সিস্টেম’ নিয়ে দু’দিনের আলোচনা শেষে ভোটাভুটি চেয়েছিল বিজেপি পরিষদীয় দল। শেষ পর্যন্ত সেই ভোটাভুটিতে অংশ নিতে পারলেন না রাজ্যের হাফ ডজন মন্ত্রী। ভোট দিতে পারলেন না শাসকদলের আরও দু’জন বিধায়ক। বুধবার অধিবেশনের ভোটাভুটি পর্বে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অধিবেশন কক্ষের দরজা বন্ধ করে দিতে নির্দেশ দেন। তার পরেই শুরু হয় শাসক ও বিরোধী দলের বিধায়কদের মধ্যে ভোটাভুটির জন্য স্লিপ বিতরণ।

Advertisement

স্লিপ বিতরণের পর ভোটাভুটির সময় অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁদের সঙ্গে অধিবেশন কক্ষে ঢোকেন উলুবেড়িয়া উত্তরের বিধায়ক নির্মল মাঝি। তাঁদের অধিবেশন কক্ষে ঢুকতে দেখেই প্রতিবাদ জানান বিজেপি বিধায়করা। তাঁরা স্পিকারকে সব জানিয়ে দেন, স্লিপ বণ্টনের সময় বাইরে থাকা মন্ত্রী বিধায়করা ভোটাভুটিতে অংশ নিলে তাঁরাও ওয়াক আউট করবেন।

এই সময় বিধানসভা কক্ষে প্রবেশ করতে যান রাজ্যের আরও দুই মন্ত্রী। তাঁরা হলেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন। অন্য একটি দরজা দিয়ে ঢুকতে গিয়ে স্পিকারের নির্দেশ শুনতে পান জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত। তার পরেই পার্থ-তাজমুল-বিবেক অধিবেশন কক্ষের বাইরেই দাঁড়িয়ে যান।

যদিও এই সংক্রান্ত আলোচনার শেষে ভোটাভুটিতে শাসক দল ১০১ বনাম ৪২ এ জয়ী হয়েছে। তবুও প্রশ্ন থেকে যায় জনতার ভোটে নির্বাচিত এই বিধায়ক মন্ত্রীরা কোন অধিকারের বিধানসভায় অংশ না নিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়ান। বিধানসভার প্রতি এই তাচ্ছিল্য মানসিকতা কেন তৈরি হয়েছে এই সকল শাসকদলের বিধায়কদের। জনতার প্রশ্ন এইসব জানা সত্ত্বেও স্পিকার কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেননি আগে থেকে। জনগণ দ্বারা নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধির প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব হল বিধানসভায় উপস্থিত থেকে তার এলাকার সমস্যাকে সরকারের সামনে তুলে ধরা। কিন্তু দুঃখের হলেও সত্য যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন এবং সংসদ অধিবেশনে সবচেয়ে বেশি সড়ক থাকতেন তারই দলের বিধায়ক মন্ত্রীরা সময়মতো বিধানসভাতে ঢুকতে পারছেন না কেন?

তথ্যসূত্র ডিজিটাল আনন্দবাজার।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ