জেলা বিনোদন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য 

শতবর্ষে সুরসম্রাট সলিল চৌধুরীর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নায়ীমুল হক : দক্ষিণ ২৪ পরগনার মালঞ্চ মাহিনগরে বিপ্লবী সাতকড়ি মেমোরিয়াল ভিলেজ হল -এ উদযাপিত হল প্রথিতযশা সুরকার ও শিল্পী সলিল চৌধুরীর শততম জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। দুদিনের এই অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সফল প্রতিযোগীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। শিশু-কিশোরদের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল দেখার মতো। তাদের উপস্থিতিতে ঝলমলে এই অনুষ্ঠানে সম্মানীয় শিল্পী কল্যাণ সেন বরাটের সঙ্গে অন্যতম বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে সম্বর্ধিত হন হরিনাভি ডিভিএএস হাই স্কুলের সম্মানীয় শিক্ষক জহর লাল নাইয়া। উল্লেখ্য, সুরের জাদুকর সলিল চৌধুরী ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী সাতকড়ি বন্দোপাধ্যায় উভয়ই ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঐতিহ্যশালী হরিনাভি ডিভিএএস হাই স্কুলের ছাত্র ।

এদিনের অনুষ্ঠানে আধুনিক বাংলা গানের সুরস্রষ্টা সলিল চৌধুরীর সৃষ্টি-কথা উঠে আসে বার বার। আসলে তিনি একাই ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তাঁর কথায় ও সুরে স্বর্ণযুগের সমস্ত শিল্পী যেমন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোঁসলে, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, প্রতিমা বন্দোপাধ্যায়, কিশোর কুমার, সবিতা চৌধুরী, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, নির্মলা মিশ্র প্রমুখ খ্যাতনামা শিল্পীরা বাংলা গান গেয়ে অমর হয়ে আছেন। সলিল চৌধুরীর জন্ম শতবর্ষে তাঁকে নিয়ে গবেষণা করা, তাঁর কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভিন্নমুখী কাজের উদ্যোগ নিয়েছে মালঞ্চ মাহীনগর সলিল চৌধুরী শতবর্ষ উদযাপন সমিতি।

Advertisement

সমিতির পক্ষে সুশান্ত ঘোষ, শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায় জানালেন তাঁরা আগামী দিনে সলিল চৌধুরীর সৃষ্টিকে জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেবার শপথ নিয়েছেন। আগামী প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের কাছে সলিল চৌধুরীর সৃষ্টি যাতে আরো বেশি করে পৌঁছে যায় সে বিষয়ে তাঁরা সজাগ দৃষ্টি রাখছেন।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ