কলকাতা 

হুমকি দেওয়া হচ্ছে কাজ বন্ধ বি এড বিশ্ববিদ্যালয়ে, না পারলে ছেড়ে দিন বললেন ব্রাত্য

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : হুমকি দেওয়া হচ্ছে সুতরাং আর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম হবে না বলে বিকাশ ভবনকে ইমেইলের মাধ্যমে চিঠি পাঠালেন রাজ্যের বিআর অম্বেডকর বিএড বিশ্ববিদ্যালয়। সব কাজকর্ম বন্ধ রেখে এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় চালানো যায় না। চালাতে না পারলে পদত্যাগ করা উচিত বলে পাল্টা মন্তব্য করলেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

গত মাসে রাজ্যের ২৫৩টি বেসরকারি বিএড কলেজের সরকারি অনুমোদন আপাতত ‘বাতিল’ করা হয়েছে। এই কলেজগুলির অনুমোদন পুনর্নবীকরণ করা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্যের বিআর অম্বেডকর বিএড বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অভিযোগ করেছেন, এই পরিস্থিতি তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। যাঁরা হুমকি দিয়েছেন, তাঁরা রাজ্যে কোনও বেসরকারি বা সরকারি অনুদানপুষ্ট নয় এমন বিএড বা এমএড কলেজের সঙ্গে যুক্ত। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হতে পারে। তা ছাড়া নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রশাসনিক কাজ বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছেন উপাচার্য সোমা। প্রশাসনের সহযোগিতায় যত দিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, তত দিন বন্ধ থাকবে প্রশাসনিক কাজ। অসুবিধার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন উপাচার্য। পরীক্ষা হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা বন্ধ। শুধু প্রশাসনিক কাজ চলছিল। সেটাও বন্ধ হয়েছে।

Advertisement

এই চিঠি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ব্রাত্য। তিনি বলেন, ‘‘বিষয়টি বৃহস্পতিবার জানলাম। মেল করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রেজিস্ট্রার বিকাশ ভবনে জানিয়েছেন। এটা পন্থা হতে পারে না। ঠিকঠাক চালাতে না পারলে তালা লাগিয়ে চলে যেতে পারেন না। তার থেকে পদত্যাগ করা উচিত।’’ এর পরেই আচার্য তথা রাজ্যপালের প্রসঙ্গ তুলেছেন। রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সোমাও। সেই নিয়ে মামলা উঠেছে সুপ্রিম কোর্টে। এই প্রসঙ্গ তুলে ব্রাত্য জানিয়েছেন, উপাচার্যের সমস্যা হলে তাই আচার্যকে জানানো উচিত। তাঁর কথায়, ‘‘আচার্যের কথা শুনে এঁরা (উপাচার্য) এসেছেন। তাই আচার্যকে জানানো উচিত। দফতরে কথা বলেছি, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা কাম্য নয়। বাঞ্ছনীয় নয়। উচিত নয়। উনি আচার্যের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, জানি না। এটাকে সমর্থন করছি না।’’

শিক্ষামন্ত্রী আইনি পরামর্শ নেওয়ার কথাও বলেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আইনি পরামর্শ নেব, কী করা যেতে পারে, দেখব। সুপ্রিম কোর্ট আচার্যকে বলেছে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসুন। উনি সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অগ্রাহ্য করেছেন। এ রকম অভূতপূর্ব পরিস্থিতি হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ে তালাচাবি লাগিয়ে চললাম, হয় না। এগুলো করা যায় না। তুঘলকি কাণ্ড চলছে।’’


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ