জেলা 

জয়নগরের পর আমডাঙ্গায় খুন তৃণমূল প্রধান! নেপথ্যে কারা ? তদন্তে পুলিশ

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : দক্ষিণ ২৪  পরগনার জয়নগরের তৃণমূল নেতা সাইফুদ্দিন লস্করের খুনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই উত্তর চব্বিশ পরগনায় আমডাঙায় খুন হল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। আমডাঙার তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানকে বোমা মেরে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ওই পঞ্চায়েত প্রধানের নাম রূপচাঁদ মন্ডল। প্রথমে তাকে জখম অবস্থায় আমডাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বারাসাতের এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূল কর্মীরা রাস্তা অবরোধে নেমে পড়েন। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক তারা অবরোধ করে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এলাকার বিধায়ক রাফিকুর রহমান এবং কিছুক্ষণ পরে যান ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৪ নং জাতীয় সড়কের (NH 34) পাশে কামদেবপুর হাটে গিয়েছিলেন রূপচাঁদ মণ্ডল। এই হাট নিয়ে মাস কয়েক আগে তাঁর সঙ্গে বচসা হয়েছিল কয়েকজনের। সেবারের মতো বিষয়টি চাপা পড়লেও বৃহস্পতিবার ভর সন্ধেবেলা হাটে আসামাত্র তাঁর উপর হামলা চলল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, হামলা পূর্ব পরিকল্পিত। দুষ্কৃতীরা জানতেন যে এই সময়েই তিনি হাটে আসবেন। সেই কারণে সময় বেছে রূপচাঁদের উপর বোমাবাজি করা হয়েছে।

বোমা হামলায় রক্তাক্ত হন রূপচাঁদ মণ্ডল। তাঁর কাঁধে গুরুতর আঘাত রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আমডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বারাসতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। খবর পেয়ে রূপচাঁদকে দেখতে হাসপাতালে যান আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। তিনি জানান, রূপচাঁদ মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তবে তার মাঝেই খবর আসে, রূপচাঁদের মৃত্যু হয়েছে। দ্রুত হাসপাতালে যান বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংও। তাঁর বক্তব্য, কে বা কারা এমনটা করল, তা তদন্ত করে দ্রুত খুঁজে বের করুক পুলিশ। ঘটনা ঘিরে তীব্র উত্তেজনা আমডাঙা এলাকায়। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং এই ঘটনার পেছনে কারা আছে তা খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশকে কিন্তু কেন বারবার আক্রান্ত হচ্ছে তৃণমূল নেতারা। তা নিয়ে কেন ভাবছেন না তৃণমূল নেতৃত্ব!


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ