দেশ 

সংসদের ওয়েবসাইটের লগইন পাসওয়ার্ড হিরানন্দানীকে দিয়েছিলেন সংবাদমাধ্যমের কাছে স্বীকারোক্তি মহুয়ার, জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপোষ, যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন,দাবি মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : গতকাল শনিবার এক জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র স্বীকার করেছেন, সংসদের ওয়েবসাইটের লগইন আইডি তিনি ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানিকে দিয়েছেন এই সাক্ষাৎকার প্রচারিত হওয়ার পরেই এবার আসরে নামলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রী ও তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তিনি অভিযোগ করেছেন জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপোষ করেছেন মহুয়া মৈত্র।

জানা গেছে সংসদের ওয়েবসাইটের লগইন আইডি অন্যকে দেওয়াটা নিঃসন্দেহে রীতিমতো অপরাধ। যদিও অনেকেই এটা দিয়ে থাকেন তবুও ধরা পড়ে গেলে তা যে অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে সে নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। মহুয়া মৈত্রের এই স্বীকারোক্তি সামনে আসার পর এখন তেড়েফুঁড়ে নেমেছে বিজেপি। মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর সরাসরি মহুয়ার বিরুদ্ধে দেশ ভক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং এটা যে নিরাপত্তার পক্ষে বিপদজনক তা প্রাসঙ্গিকভাবেই তুলে ধরেছেন। ফলে আগামী দিনে মহুয়া মৈত্র তার সংসদ পদ ধরে রাখতে পারবেন কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

Advertisement

তাই অনুরাগ দাবি করেছেন, এভাবে অন্য কাউকে সংসদের লগ ইন আইডি দেওয়াটা জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা। দ্রুত এই ব্যাপারে যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত। মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ যিনি করেছিলেন, সেই নিশিকান্ত দুবেও ফের এই ইস্যুতে সরব হন। তাঁর দাবি, কাউকে সংসদের লগ ইন আইডি দিয়ে দেওয়া মানে এনআইসির সঙ্গে করা চুক্তিভঙ্গ করা।

কিন্তু কোনও অভিযোগকেই পাত্তা দিতে নারাজ মহুয়া। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পালটা দুই বিজেপিকে নেতাকে বিঁধে তিনি লিখেছেন, টাকার বদলে প্রশ্ন করার অভিযোগ প্রমাণ করতে না পেরেই বিজেপি (BJP) আবার নতুন অভিযোগ করছে। টাকার বদলে প্রশ্ন করার অভিযোগের কোনও প্রমাণ বিজেপির কাছে নেই। আর যদি জাতীয় নিরাপত্তার কথাই বলা হয়, তাহলে আদানিদের অন্যায়ভাবে বন্দরের চুক্তি পাইয়ে দেওয়াটাও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা। তাছাড়া প্রত্যেক সাংসদের লগ ইন আইডিই অন্তত ১০ জন ব্যবহার করেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ