কলকাতা 

মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে ইডির হানা!

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : বৃহস্পতিবার সাতসকালে বন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে হানা দিয়েছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর আধিকারিকেরা। ইডি সূত্রে খবর, রেশন ‘দুর্নীতি’ মামলায় বাকিবুর রহমানের গ্রেফতারির পরেই নাম উঠে এসেছে জ্যোতিপ্রিয়ের। সল্টলেকের বিসি ব্লকে পাশাপাশি দু’টি বাড়িতে (বিসি ২৪৪ এবং বিসি ২৪৫) বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি।

জ্যোতিপ্রিয়ের বাড়ির পাশাপাশি তাঁর আপ্তসহায়ক অমিত দের নাগেরবাজারের ফ্ল্যাটেও পৌঁছে গিয়েছে ইডি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ সেখানে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দল। নাগেরবাজারে দু’টি ফ্ল্যাটে গিয়েছে ইডি। একটি ফ্ল্যাট রয়েছে ভগবতী পার্ক এলাকায় এবং দ্বিতীয় ফ্ল্যাটটি রয়েছে স্বামী বিবেকানন্দ রোডে। সূত্রে খবর, দু’টি ফ্ল্যাটেই পালা করে অমিত থাকেন। তবে দু’টি ফ্ল্যাটই তালাবন্ধ অবস্থায় রয়েছে। সকাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশের সময়ও ফ্ল্যাটের ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

Advertisement

সকাল থেকেই আটটি জায়গায় তল্লাশি অভিযানে নেমেছেন ইডির আধিকারিকেরা। মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বাকিবুরের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়ের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েই তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

রেশন ‘দুর্নীতি’কাণ্ডে গত বুধবার সকাল থেকে বাকিবুরের কলকাতার কৈখালির ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল ইডি। বাকিবুরের ফ্ল্যাট থেকে ১০০-র বেশি সরকারি দফতরের সিলমোহর (স্ট্যাম্প) মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১০৯টি স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। সাড়ে ৫৩ ঘণ্টা তল্লাশির পর গত শুক্রবার বাকিবুরকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর ফ্ল্যাট থেকে বেরোয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পর আরও ১১ ঘণ্টা জেরার পর শনিবার সকালে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। সোমবার বাকিবুরকে আদালতে পেশ করবে ইডি।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বাকিবুরের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ যে নথিগুলি উদ্ধার হয়েছে, তা থেকে প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে বাকিবুরের বিভিন্ন সংস্থায় ৫০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ ঢুকেছে। একাধিক হোটেল, রিসর্ট, পানশালা রয়েছে বাকিবুরের। তার পাশাপাশি রয়েছে বেশ কয়েকটি রাইস মিলও।

 

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ