আন্তর্জাতিক 

ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিনের হুঁশিয়ারি আন্তর্জাতিক আইন মেনে আত্মরক্ষার অধিকার সুরক্ষিত করুন, অসামরিক নাগরিকদের যাতে ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন! মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির প্রেক্ষাপট কী বদলের পথে ?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : হামাস-ইসরায়েল সংঘর্ষ পরিস্থিতি নিয়ে এ বার প্রকাশ্যে মন্তব্য করল চিন। আজ মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সরকারের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, ‘‘প্রত্যেক দেশেরই আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে।’’ তবে সেই সঙ্গেই তেল আভিভের প্রতি তাঁর বার্তা, ‘‘এমন পরিস্থিতিতে উচিত আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলা। অসামরিক নাগরিকদের যাতে ক্ষতি না হয়, সে দিকে গুরুত্ব দেওয়া।’’

একদলীয় চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম শিনহুয়া জানাচ্ছে, ইসরায়েলের বিদেশমন্ত্রী এলি কোহেনের সঙ্গে সোমবার টেলিফোনে ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে ওয়াংয়ের। চলতি মাসেই আমেরিকা সফরে যাওয়ার কথা ওয়াংয়ের। তার আগেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি তাঁর এই বার্তা।

Advertisement

গত ৭ অক্টোবর গাজ়া সীমান্ত থেকে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার পরে ভারত, আমেরিকা, ব্রিটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ নানা দেশ এবং রাষ্ট্রগোষ্ঠী নিন্দা করলেও জিনপিং সরকার একটিও বিবৃতি দেয়নি। এমনকি, বেজিংয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় এক ইসরায়েলি কূটনীতিকের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রাণঘাতী হামলা হলেও প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেনি চিন সরকার বা ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি! এদিকে, ভূমধ্যসাগরে মার্কিন রণতরির পাশাপাশি চিন সরকার ছটি রনতরি মোতায়ন করেছে। ফলে এই যুদ্ধে চিনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মনে করা হচ্ছে চিন যাই বলুক না কেন আসলে মধ্যপ্রাচ্যে চিন তার আধিপত্যকে বিস্তার করতে চাইছে।

ইসরাইল যেভাবে গাজা ভূখণ্ডের অধিবাসীদের উপর নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করছে তাতে আরব দুনিয়া বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। বিশেষ করে আরব জনতা এতে অনেকটাই বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে আর আরব রাষ্ট্রগুলির নেতারা অসহায়ের মতো আমেরিকার দিকে তাকিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা যদি চিনের সমর্থন পায় সেক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। সুতরাং মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে চিনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে।

গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট জিনপিং কার্যত ফিলিস্তিনিও যোদ্ধাদের সমর্থন করে মিশর এবং অন্যান্য আরব দেশর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অবিলম্বে সংঘর্ষ বিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘‘যত দ্রুত সম্ভব ফিলিস্তিন সমস্যার একটি ব্যাপক, ন্যায্য এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য চাপ তৈরি করতে হবে।’’


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ