জেলা 

মৃত সরিফুলের পরিবারের পাশে সাংসদ ইদরিশ আলি

শেয়ার করুন
  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কান্নায় ভেঙে পড়ল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার কাটিয়াহাটের মৃত সরিফুলের পরিবার। বাবা সফিকুল বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে তেরো বছরের সরিফুলকে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের শ্রীরাম এগ্রিকালচার হাইস্কুলের নবম শ্রেণীতে ভর্তি করেন। এর পর থেকেই হোস্টেলে থাকত সরিফুল। কিন্তু সরিফুলের বাবার স্বপ্ন আর পূরণ হল না।  গত পরশু রাতে ছোট্ট সরিফুল হস্টেলের মধ্যেই মারা যায়। পরিবারের অভিযোগ খুন করা হয়েছে তাকে।

এর পর মৃতদেহ পাওয়া নিয়েও সমস্যা দেখা দেয়। শেষ পর্যন্ত শনিবার অবরোধ হয় তমলুকের রাস্তা অবরোধ করার পর সোমবার পাওয়া যায় সরিফুলের দেহ। ওইদিনই রাত্রিবেলা কাটিয়াহাটের বাড়িতে আনা হয় দেহ। গ্রামের কবরস্থানেই মঙ্গলবার দাফন করা হয় সরিফুলকে। তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার বাড়িতে কয়েকশো মানুষ উপস্থিত হয়েছিল। গিয়েছিলেন স্থানীয় সাংসদ ইদ্রিশ আলি, অল ইণ্ডিয়া সুন্নাতুল জমায়েতের কর্ণধার মাওঃ মুফতি আব্দুল মাতিন সাহেব,মহঃ কামরুজ্জামান ,সাহেব আলি, বাদুড়িয়া পৌর সভার পৌর প্রধান তুষার সিংহ, সমাজসেবী কবি দাস,প্রাক্তন বিধায়ক মহম্মদ সেলিম প্রমুখ। মৃত সরিফুুুুলের বাবা সফিকুল গাজী তাঁঁর ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। সেই সঙ্গে দোষীদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এছাড়া অল ইণ্ডিয়া মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশন (AIMA) পক্ষ থেকেও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সংগঠনের তরফে তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী এবং পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাত করা হবে বলে জানিয়েছেন আইমার এক নেতা। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বসিরহাটের সাংসদ ইদ্রিশ আলি।

সেই সঙ্গে তিনি সহ জেলা সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ দলের অন্য নেতারা সরিফুলের পরিবারের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।


শেয়ার করুন
  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment